চণ্ডীগড়, ৪ জুলাই (আইএএনএস): বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডি(ইউ) পাঞ্জাবের রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশের ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে আগামী পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথাও জানিয়েছে দলটি।
শনিবার চণ্ডীগড়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেডি(ইউ)-র পাঞ্জাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সঞ্জয় কুমার বলেন, উন্নয়নমুখী, স্বচ্ছ ও জনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক বিকল্প গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই পাঞ্জাবে সংগঠন বিস্তারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল।
তিনি বলেন, যুবসমাজ, কৃষক, উদ্যোক্তা এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর প্রশাসনই পাঞ্জাবের প্রয়োজন।
জেডি(ইউ) জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মণিপুর, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, অসম ও কর্নাটক-সহ একাধিক রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নমুখী রাজনীতির মডেল পাঞ্জাবের মানুষও গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদী দল।
সঞ্জয় কুমার স্পষ্ট করে জানান, আগামী পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে জেডি(ইউ) প্রার্থী দেবে। পাশাপাশি রাজ্যে দলের সাংগঠনিক কাঠামো গঠন এবং তৃণমূল স্তরে সংগঠন বিস্তারের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।
এই উপলক্ষে পাঞ্জাব প্রদেশ কোর কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মালবিন্দর সিংকে রাজ্য সভাপতি, গুরপাল সিং হুন্দলকে সহ-সভাপতি, আই. এস. আহলুওয়ালিয়াকে সাধারণ সম্পাদক, সঞ্জীব ঝাকে সংগঠন বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক এবং কানওয়ার সিং ধিন্ডসাকে কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য করা হয়েছে।
সঞ্জয় কুমার জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা, কৃষি সংস্কার, উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্বচ্ছ প্রশাসন, নারী ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক কল্যাণের মতো বিষয়গুলিকেই অগ্রাধিকার দেবে দল।
তিনি বলেন, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং কর্মদক্ষতা, জবাবদিহি এবং সর্বজনীন উন্নয়নকে ভিত্তি করেই জেডি(ইউ) পাঞ্জাবে রাজনৈতিক লড়াই চালাবে।
এছাড়াও, রাজ্যের গ্রাম, শহর ও নগরাঞ্চলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে শিগগিরই রাজ্যজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছে দল। যুবক-যুবতী, নারী, পেশাজীবী, কৃষক এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে এই অভিযানে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।



















