নয়াদিল্লি, ২৬ জুন (আইএএনএস) : যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার প্রকাশিত এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিনে ৭৮টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে, যা যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের দৈনিক জাহাজ চলাচলের প্রায় ৫৭ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-র উদ্যোগে ওমান উপকূলঘেঁষা নতুন নিরাপদ নৌপথ চালু হওয়ার পর থেকেই জাহাজ চলাচল বাড়তে শুরু করেছে।
ওই দিন চলাচলকারী ৭৮টি জাহাজের মধ্যে ৩৩টি বা ৪০ শতাংশেরও বেশি নতুন নিরাপদ রুট ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে ২৫টি জাহাজ উপসাগর থেকে বাইরে গেছে। অন্যদিকে, কিছু জাহাজ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি দিয়ে চলাচল করেছে এবং ৮টি জাহাজ ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ রেখে প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের মতে, উপসাগরে আটকে পড়া বেশিরভাগ বহির্গামী জাহাজ এখন বেরিয়ে যেতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, সম্প্রতি উপসাগরে প্রবেশ করা কিছু জাহাজও ফিরে যাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক নৌ-চলাচল পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সেদিন মোট চলাচলকারী জাহাজের মধ্যে ছিল ২২টি তেল ও রাসায়নিকবাহী ট্যাঙ্কার, ২১টি বাল্ক ক্যারিয়ার, ১২টি কার্গো জাহাজ, ৭টি কনটেইনারবাহী জাহাজ, ৪টি এলপিজি ট্যাঙ্কার এবং ২টি এলএনজি ট্যাঙ্কার।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও কমেছে। সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কমে আসায় এবং হরমুজ প্রণালীতে পরিস্থিতির উন্নতির ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৫১ ডলার বা প্রায় ২ শতাংশ কমে ৭৩.৭৫ ডলারে নেমেছে। একইভাবে, মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ব্যারেলপ্রতি ১.৫০ ডলার বা প্রায় ২ শতাংশ কমে ৭০.৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে



















