কৈলাসহর, ২৫ জুন: কৈলাসহরের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ইন্টিগ্রেটেড আয়ুষ হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, নির্ধারিত ওপিডি সময় চলাকালীন হাসপাতালে কোনো চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৈলাসহর পুরপরিষদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিদ্ধার্থ রায়।
জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে আহত ছেলেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান কাউন্সিলর। অভিযোগ অনুযায়ী, বিকেল প্রায় ৩টা ৪৮ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছে তিনি দেখতে পান ওপিডি বিভাগ প্রায় ফাঁকা এবং সেখানে কোনো আয়ুর্বেদিক বা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক উপস্থিত নেই। যদিও হাসপাতালের বহির্বিভাগের নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর কাউন্সিলর হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, এর আগেও হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। এদিন হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্টও উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা যায়। হাসপাতাল সূত্রের দাবি, তিনি একটি বৈঠকে যোগ দিতে বাইরে গিয়েছিলেন।
এদিকে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামো ও কর্মীসংক্রান্ত কিছু সমস্যার কথাও সামনে এসেছে। অভিযোগ, কয়েকজন কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাননি এবং কর্মীসংকটের কারণে দৈনন্দিন কাজ পরিচালনায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে চাননি।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান কৈলাসহর পুরপরিষদের চেয়ারম্যান চপলা রানী দেবরায় এবং অন্যান্য কাউন্সিলররা। তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
কাউন্সিলর সিদ্ধার্থ রায় হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং নিয়মিত চিকিৎসক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁর মতে, এলাকার বহু মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসাস্থল এই হাসপাতালের পরিষেবা আরও কার্যকর ও জনবান্ধব হওয়া প্রয়োজন।























