কলকাতা, ৪ জুন (আইএএনএস): উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার দিনহাটায় এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাটখেত থেকে ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় একটি লেগিংস বাঁধা অবস্থায় দেহটি পাওয়া যায়। ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
তবে মৃতার পরিবারের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর ঘটনাটি যে হত্যাকাণ্ড, তা প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হলেও ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনহাটার বামনহাট-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকা বুধবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। দুপুর গড়িয়ে গেলেও সে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
সন্ধ্যার দিকে বাড়ির কাছেই একটি পাটখেত থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। দেহের গলায় একটি লেগিংস বাঁধা ছিল। পরিবারের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার সময় ওই লেগিংসটি পরেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল মেয়েটি। তাঁদের অভিযোগ, ওই লেগিংস দিয়েই শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সকাল থেকেই মেয়েটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সন্ধ্যায় এলাকায় খোঁজাখুঁজির সময় পাটখেতে তার দেহ দেখতে পান।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সম্ভাব্য অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
কোচবিহার জেলা পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, “দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। খুনের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তদন্তের পরবর্তী দিক নির্ধারণ করা হবে।



















