News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • চা বাগান এলাকার মানুষের আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবনযাপনের সুযোগ করে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
Image

চা বাগান এলাকার মানুষের আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবনযাপনের সুযোগ করে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আগরতলা, ২০ ডিসেম্বর: চা বাগান এলাকার মানুষের আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবনযাপনের সুযোগ করে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্য পূরণে সর্বপ্রথম যে বিষয়টির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো চা বাগান শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা।

আজ চন্ডিপুর ব্লকের সরোজিনী গ্রাম পঞ্চায়েতের হালাইছড়া বাজারে নবনির্মিত কৃষি পণ্য ভান্ডার, ওপেন মার্কেট শেড ও কমিউনিটি হলের উদ্বোধন করে একথা বলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়। তিনি আরও বলেন, পূর্বে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলির নিজস্ব কোনও ভূমি, রেশন কার্ড ও স্থায়ী আবাসন ছিল না। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছিলেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারি উদ্যোগে চা বাগান শ্রমিকদের ভূমির পাট্টা প্রদান, রেশন কার্ড বিতরণ এবং বাসগৃহ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এরফলে তারা এখন নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারছেন। এখন পর্যন্ত রাজ্যের চা বাগানীদের প্রায় ৪ হাজার পরিবারকে জমির পাট্টা প্রদান করা হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার পরিবারকে রেশন কার্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে পাকা ঘর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগ চা বাগান এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এবং আত্মনির্ভর ও সম্মানজনক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঊনকোটি জিলা পরিষদের সভাধিপতি অমেলন্দু দাস, জিলা পরিষদের সদস্য বিমল কর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চন্ডিপুর ব্লকের বিডিও দেবপ্রিয়া দাস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চন্ডিপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সম্পা দাস পাল, ভাইস চেয়ারম্যান বিনয় সিংহ, কৈলাসহর মহকুমার মহকুমা শাসক বিপুল দাস, চন্ডিপুর ব্লকের অতিরিক্ত বিডিও প্রসেনজিৎ ভৌমিক, বিশিষ্ট সমাজসেবী পিন্টু ঘোষ প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন সরোজিনী পঞ্চায়েতের প্রধান অনিতা কৈরী। অনুষ্ঠানে ২৯ জন চা বাগানী পরিবারকে জমির পাট্টা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, কৃষি পণ্য ভান্ডার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ লক্ষ ৬২ হাজার ২৭৯ টাকা, ওপেন মার্কেট শেড নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৮৬৩ টাকা ও কমিউনিটি হল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩ লক্ষ ১ হাজার ৫৫১ টাকা।

Releated Posts

সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান করা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৪ জুন: সমস্যা পীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করার লক্ষ্য নিয়ে…

ByByReshmi Debnath Jun 25, 2026

রাজ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ২৪ জুন: গোমতী নদীর জল ব্যবহার করে আগরতলায় প্রস্তাবিত জল সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পর্যালোচনা বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী…

ByByReshmi Debnath Jun 24, 2026

সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার দাবি সুদীপ রায় বর্মনের

আগরতলা, ২৪ জুন: আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ (এজিএমসি) ও জিবি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার উপর…

ByByReshmi Debnath Jun 24, 2026

জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী বাস, অল্পেতে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

আগরতলা, ২৪ জুন : আজ সকালে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বীরেন্দ্রনগর বাজার সংলগ্ন জাতীয় সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার…

ByByTaniya Chakraborty Jun 24, 2026
Scroll to Top