News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • ত্রিপুরাকে একটি মডেল রাজ্যে রূপান্তরে চারটি স্তম্ভ একযোগে কাজ করুক : রতন
Image

ত্রিপুরাকে একটি মডেল রাজ্যে রূপান্তরে চারটি স্তম্ভ একযোগে কাজ করুক : রতন

বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ আজ বলেছেন, মোহনপুরে নতুন সাব-ডিভিশনাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল জজ কোর্ট ভবনের উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যের বিচারপ্রদান ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা, ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এম. এস. রামচন্দ্র রাওসহ অন্যান্য বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে আজ মোহনপুরে এই নতুন আদালত ভবনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন সাধারণভাবে আদালত বা সরকারি ভবনের উদ্বোধন একটি নিয়মিত বিষয় হলেও মোহনপুরবাসীর কাছে আজকের দিনটি স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক। কারণ, আজ তারা পেলেন সুবিশাল, নান্দনিক, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব একটি স্থায়ী আদালত ভবন। তিনি আরও বলেন এই আদালত ভবনটি ত্রিপুরার একটি মডেল ভবন, যা সত্যিই অত্যন্ত সুন্দর ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় সমৃদ্ধ।

ঐদিন মন্ত্রী বলেন এই ভবনটি একটি বিশেষ স্থানে গড়ে উঠেছে। আশা করি আগামী দিনে এই আদালতকে সামনে রেখে রাজ্যের অন্যান্য আদালতও নির্মিত হবে। নতুন আদালত গড়ার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের যে নির্দেশিকা রয়েছে, এই ভবনে তার সবকটিই মানা হয়েছে। ২০২১ সালে আমি যখন রাজ্যের আইনমন্ত্রী ছিলাম, তখন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি অখিল কুরেশির উপস্থিতিতে এই ভবনের শিলান্যাস হয়েছিল। সরকারের বিভিন্ন দফতর ও হাইকোর্টের নিরলস সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই মাত্র চার বছরের মধ্যে এই ভবন বাস্তব রূপ পেল।

ভারতীয় সংবিধানকে বিশ্বের সেরা আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন,আমাদের সংবিধান সত্যিই অনন্য। তবে সংবিধান প্রণেতাদের এই উচ্চকণ্ঠ বাক্যাবলী শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে যদি না তা বাস্তবায়িত হয় আইনসভা, নির্বাহী এবং বিচার বিভাগের নির্দিষ্ট ভূমিকার মাধ্যমে। আজকের এই উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই স্বপ্ন আরও এক ধাপ পূর্ণতার দিকে এগোল। এটি রাজ্যের নির্বাহী সরকার ও বিচার বিভাগের সাফল্যের কাহিনিতে যুক্ত হলো নতুন পালক। মন্ত্রী আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহার নেতৃত্বে রাজ্যের আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগের সহযোগিতায় ত্রিপুরা হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই দেশের সর্বোচ্চ মামলা নিষ্পত্তির হারের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

তিনি বলেন আমরা সর্বদা চেষ্টা করব গণতন্ত্রের চার স্তম্ভ— নির্বাহী, আইনসভা, বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যম— যেন সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ত্রিপুরাকে দেশের একটি অনন্য মডেল রাজ্যে পরিণত করতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এই চার স্তম্ভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকেরই নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে ক্ষমতার ভারসাম্য ও দায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য। এখানে কোনো বৈষম্য চলবে না।

Releated Posts

এমবিবি বিমানবন্দরের বাইরে যাত্রী হয়রানির ঘটনায় দুই অটোচালক গ্রেপ্তার

আগরতলা, ২৮ জুলাই: আগরতলার মহারাজা বীর বিক্রম (এমবিবি) বিমানবন্দরের বাইরে এক মহিলা যাত্রী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের…

ByByTaniya Chakraborty Jul 28, 2026

ত্রিপুরা সরকার ও এনএসই-র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, আর্থিক সচেতনতা ও শিল্পোন্নয়নে নতুন দিগন্ত: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৮ জুলাই: মূলধন বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির এক অধ্যায়ের সূচনা করে আজ ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে…

ByByTaniya Chakraborty Jul 28, 2026

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ: পাকিস্তানি বৃদ্ধাকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার জরিমানা

আগরতলা, ২৮ জুলাই: বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ৬৫ বছর বয়সী এক পাকিস্তানি মহিলাকে…

ByByTaniya Chakraborty Jul 28, 2026

চুরাইবাড়িতে ডিমবোঝাই লরি থেকে ৩ কোটি টাকার এসকফ সিরাপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার চালক

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুরাইবাড়ি, ২৭ জুলাই: ত্রিপুরায় প্রবেশের মুখে শ্রীভূমি জেলার চুরাইবাড়ি ওয়াচপোস্টে পুলিশের অভিযানে ডিমবোঝাই একটি লরি থেকে…

ByByReshmi Debnath Jul 27, 2026
Scroll to Top