News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • ছয় দফা দাবিতে রাবার বোর্ডে ডেপুটেশন প্রদেশ কিষান কংগ্রেসের
Image

ছয় দফা দাবিতে রাবার বোর্ডে ডেপুটেশন প্রদেশ কিষান কংগ্রেসের

আগরতলা, ১৮ আগস্ট : রাবার বাগান করার ক্ষেত্রে বীমা প্রকল্প চালু করা সহ ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাবার বোর্ডে ডেপুটেশনে মিলিত হয়েছে ত্রিপুরা প্রদেশ কিষান কংগ্রেস।

সংগঠনের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বৈদ্য বলেন, ত্রিপুরার ছোট বড় রাবার উৎপাদককারীর সংখ্যা হল প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ হল আদিবাসী সংখ্যা। গড়ে প্রায় ৯৫ হাজার পরিবার আদিবাসী। রাজ্যের সকলেই জানে রাবার চাষ এবং রাবারের ব্যবসা খুবই লাভজনক ব্যবসা ক্ষেত্র ছিল। কোন এক সময় ত্রিপুরার অর্থনীতিকে গতি এনেছিল। বর্তমানে রাবার এর ব্যবসা ধ্বংসের মুখে ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সর্বদিকের উৎপাদন ও উন্নয়ন চাকুরী অর্থনীতি সহ সর্বদিকে সংকট তৈরি এবং রাবার ব্যবসা ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। আদিবাসী কল্যাণ দপ্তরে অসহযোগিতার কারণে ১ লক্ষ ৮০ হাজার রাবার চাষিরা আজ আরো গভীর সংকটের মধ্যে পড়ে গিয়েছে।

তাঁর কথায়, এডিসি পূর্বতন সরকারের সময়ে বিশেষত্ব আদিবাসী বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভর করে তুলতে এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন কিছু পরিকল্পনা ছিল এর মধ্যে বিনামূল্যে রাবার চারা বিতরণ বর্তমানে সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারিভাবে রাবার প্রসেসিং সেন্টার না থাকার কারণে এবং নতুন কোন ধোঁয়া কেন্দ্র তৈরি না করার ফলে প্রকৃতভাবে অর্থাৎ সূর্যের আলোতে শুকাতে গিয়ে রাবার সিট গুলি ভালো হয় না এবং জাতীয় মানের সিট এর সঙ্গে পাত্তা দিতে না পারাই মূল্য কম পাচ্ছে। ইহাতে অনেক রাবার চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের পূর্বে রাজ্যে ২৪৫ টি রাবার রাবার উৎপাদনকারী সোসাইটি ছিল। ওই সময় রাবার উৎপাদনকারী সংস্থাগুলিকে রাজ্য সরকারের কৃষি দপ্তর এবং উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে রাবার উৎপাদনকারীদের সমস্যা নিরসনে রাবার চাষ সম্প্রসারণ এবং মান উন্নয়ন এমনকি মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করে আসছিল। কিন্তু বিজেপি সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর রাজ্য জুড়ে যে সন্ত্রাস কায়েম হয়েছে তার প্রভাব রাবার বাগান এবং উৎপাদক সংস্থার গায়েও আঁচ লেগেছে। সময় সময়ে কোথাও কোথাও বাগান পুড়িয়ে দেওয়া ও নষ্ট করে দেওয়া এবং সর্বশেষে রাবার উৎপাদক কারী সংস্থাগুলিকে ভেঙে দেওয়া হয়।

তাই সংগঠনের তরফ থেকে ছয় দফা দাবি জানানো হয়েছে। সেগুলো হল, রাবার বাগান করার ক্ষেত্রে বীমা প্রকল্প চালু করা, রাবার বাগানে যে সমস্ত সার ব্যবহার করা হয় (যেমন ইউরিয়া, রক ফসফেট এবং পটাশ) সেই সার গুলি রাজ্য সরকার ভর্তুকিতে দিতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়ার সুনিশ্চিত করা,
সরকার ধোঁয়া কেন্দ্র করার ক্ষেত্রে ৫০% (শতাংশ) ভর্তুকি প্রদান করতে হবে এবং আদিবাসী বেকার যুবকদের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে ধোয়া কেন্দ্র তৈরি করা, বর্তমান বাজারে রাবারের মূল্য ন্যূনতম প্রতি কেজি ৩০০ টাকা করা এবং ভেঙ্গে দেওয়া রাবার উৎপাদ কারী সংস্থাগুলিকে পুনর্গঠন করা হোক।

Releated Posts

ফের সড়ক ও রেল অবরোধের ডাক আত্মসমর্পণকারী বৈরী সংগঠনগুলির, উদ্বেগে সাধারণ মানুষ

আগরতলা, ১৭ জুন: পুনর্বাসন প্যাকেজসহ একাধিক দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৪ জুন থেকে আসাম-আগরতলা ৮ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং…

ByByReshmi Debnath Jun 17, 2026

কৃষিজমি সংরক্ষণে প্রাকৃতিক কৃষিই ভবিষ্যৎ: কৃষিমন্ত্রী

আগরতলা, ১৭ জুন : কৃষকদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং…

ByByTaniya Chakraborty Jun 17, 2026

বিপজ্জনক অবস্থায় বেগ্রাম পাড়ার সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি স্থানীয়দের

আগরতলা, ১৭ জুন : মান্দাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিশ্বরাম বেগ্রাম পাড়া এলাকার প্রধান যোগাযোগ সড়কের একটি সেতুর সাইড ওয়াল…

ByByTaniya Chakraborty Jun 17, 2026

নেশামুক্ত ভারত সপ্তাহ উপলক্ষে দক্ষিণ জেলায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিলোনিয়া, ১৭ জুন : আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্য অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবসকে সামনে রেখে দক্ষিণ ত্রিপুরা…

ByByTaniya Chakraborty Jun 17, 2026
Scroll to Top