আগরতলা, ৯ সেপ্টেম্বর : রোহিঙ্গা যুবতীকে ধর্ষণের ঘটনায় ত্রিপুরা পুলিশ নড়েচড়ে বসেছে। অভিযুক্তের খুঁজে ত্রিপুরার পুলিশের একটি দল বর্তমানে বহি:রাজ্যে রয়েছে।
সংবাদে প্রকাশ, আগরতলা রেলস্টেশন সংলগ্ন হোটেলে এক রোহিঙ্গা যুবতী ধর্ষিতা হয়েছেন। দিল্লীতে বসবাসরত তাঁর বাবা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে জিরো এফআইআর করেছিলেন। ওই মামলায় ত্রিপুরায় আমতলী থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ত্রিপুরায় প্রবেশে পুলিশের জালে ধরা পরেছিলেন এক রোহিঙ্গা যুবতী। খবর পেয়ে তাঁর বাবা মোস্তাফিজুর রহমান মেয়েকে আইনি গ্যারাকল থেকে নিস্তারে সোনা মিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তাকে টাকা পাঠিয়ে মেয়েকে আইনি ঝামেলা থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। প্রত্যাশা অনুযায়ী ওই রোহিঙ্গা যুবতী আইনি ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়েছিলেন। এরপরই তাঁর জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার।
পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নগর চিরঞ্জিব চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আগরতলা রেল স্টেশন সংলগ্ন হোটেলে ওই রোহিঙ্গা যুবতীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত সোনা মিয়া নিজেও রোহিঙ্গা। তিনি ওই যুবতীকে নিয়ে দিল্লী পালিয়েছেন। তার খুঁজে ত্রিপুরা পুলিশের একটি দল দিল্লী গেছে।
সংবাদে প্রকাশ, ওই যুবতী বাবার কাছে ফিরে গিয়ে তাঁর সাথে ঘটে যাওয়া পৈশাচিক ঘটনার সম্পর্কে কিছুই জানাননি। কিন্তু তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়লে পরিবারের সকলেই ধর্ষণের বিষয়ে জানতে পারেন। এরপরই ওই যুবতীর বাবা মামলা করেন।



















