কলকাতা, ৫ মে (হি. স.) : কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা তছরুপের অভিযোগে উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসককে বিস্তারিত অনুসন্ধানের নির্দেশ দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, পঞ্চায়েত দফতরের সচিবের নজরদারিতে দু’মাসের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর পঞ্চায়েত সচিবকে রিপোর্ট পাঠাবেন জেলাশাসক। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতেও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে আদালত।
সবুজ ভুট্টাখেতে নাকি ১০০ দিনের কাজে পুকুর খনন করা হয়েছিল বলে দাবি। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ২-৩ বছরেই সেই পুকুর ভরাট হয়ে সেখানে গাছও গজিয়ে গেছে। উত্তর দিনাজপুরে জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। অভিযোগ ওঠে, পুকুর খনন দেখিয়ে প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান।
এই প্রেক্ষিতে, গত ১৯ মার্চ তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধান জ্যোৎস্না রানি মণ্ডলকে ৪ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। জ্যোৎস্না রানি রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের স্ত্রী। সেই মামলায় শুক্রবার পঞ্চায়েত দফতরের সচিবের নজরদারিতে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর পঞ্চায়েত সচিবকে রিপোর্ট পাঠাবেন জেলাশাসক। ২ মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে অনুসন্ধান।

