কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : প্রাথমিক টেটের ও এমআর শিট হার্ড কপি নষ্ট করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শুক্রবার, আদালতে, প্রাথমিকের আসল ওএমআর নিয়ে একটা মামলা ওঠে। সেখানেই এই তথ্য জানায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
পর্ষদের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, তথ্য জানার অধিকারের (আরটিআই) নিয়ম অনুযায়ী ২০ বছর তথ্য রাখতে হবে। কবে, কিভাবে, কার সামনে, কতসংখক চাকরি প্রার্থীর ওএমআর নষ্ট করা হয়েছিল তা পর্ষদকে জানাতে হবে।
২০১৪ সালের কিছু চাকরি প্রার্থী ওএমআর শিট চেয়ে পর্ষদে আবেদন করেন। যদিও পর্ষদ তা না দিয়ে ডিজিটালি তথ্য দেয়। এরপরেই তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিষয়টি জানতে চাইলে পর্ষদ জানায় ওএমআর শিট হার্ড কপি নষ্ট করা হয়েছে। এটা শুনে একাধিক প্রশ্ন করেন বিচারপতি।
নিয়ম বহির্ভূত কাজ কেন করল পর্ষদ? তাও তিনি জানতে চান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য হলফনামা আকারে জমা করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। বিচারপতির এই নির্দেশে বিপাকে পড়তে পারে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
এর আগে, প্রাথমিকে চাকরি নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার খেলা হয়েছে বলে মনে করে বাগদা চন্দন মন্ডলের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পর্ষদ জানায়, টেট প্রশ্ন ভুল ছিল ১ টি। তাই প্রশ্ন ভুল থাকায় সেটির উত্তর দেওয়া প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ২৬৯ জনকে ১ নম্বর দিয়ে টেট উত্তীর্ণ করা হয়েছিল। এতেই টেটে কারচুপির জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, তার ওএমআর শিট চেয়ে আবেদন করে ব্যর্থ হয়। তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করেও উত্তর মেলেনি।



















