লখনউ, ৬ জুন (হি.স.): উত্তর প্রদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগলিক বৈচিত্র্যের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রাষ্ট্রপতির মতে, উত্তর প্রদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং ভৌগলিক বৈচিত্র্য গণতন্ত্রকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।
একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, গণতন্ত্রে শাসক ও বিরোধী দলের মতাদর্শের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে, তবে দুই পক্ষের মধ্যে কোনও শত্রুতা থাকা উচিত নয়। “আজাদী কা অমৃত মহোৎসব’ বর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সোমবার উত্তর প্রদেশের বিধানসভার এবং বিধান পরিষদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন। রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল, বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান কুঁয়ার মানবেন্দ্র সিং, বিধানসভার অধ্যক্ষ সতীশ মহানা, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিধান পরিষদের বিরোধী দলনেতা লাল বিহারী যাদব, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা অখিলেশ যাদব এবং দুই পক্ষের সদস্যরা এই অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি এদিন নিজের ভাষণে বলেছেন, উত্তর প্রদেশের ২০ কোটির বেশি জনসংখ্যা আমাদের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের সাংস্কৃতিক বিশেষত্বের একটি খুব ভাল উদাহরণ উপস্থাপন করে। দেশব্যাপী রাজনীতির প্রেক্ষাপটে উত্তর প্রদেশের জন্য এর চেয়ে বড় গর্বের বিষয় আর কী হতে পারে যে এই রাজ্য থেকে লোকসভায় নির্বাচিত সাংসদদের মধ্যে ৯ জন প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।” রাষ্ট্রপতি এদিন আরও বলেছেন, “উত্তর প্রদেশ বিধান মন্ডলের ইতিহাস বিস্ময়কর উদারতা এবং ব্যাপকতার উদাহরণ উপস্থাপন করে। স্বাধীন ভারতের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য ইতিহাস তৈরি হয়েছিল খোদ উত্তর প্রদেশেই। উত্তর প্রদেশের বিধান মন্ডলে শাসক দল এবং বিরোধীদের মধ্যে মর্যাদাপূর্ণ সম্প্রীতির গর্বিত ইতিহাস রয়েছে। গণতন্ত্রে শাসক ও বিরোধী দলের মতাদর্শের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে, তবে দুই পক্ষের মধ্যে কোনও শত্রুতা থাকা উচিত নয়।”


















