আগরতলা, ৭ অক্টোবর (হি. স.) : পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসকের আদেশে পূর্ব ও পশ্চিম আগরতলা থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলায় আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বরং উচ্চ আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য্য করেছে ১৫ নভেম্বর।
গত ২০ সেপ্টেম্বর পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ওই আদেশ জারি করেছিল। ওই আদেশমূলে রাস্তায় মিছিল, সভা, সমাবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আগামী ৪ নভেম্বর ওই আদেশের মেয়াদ সমাপ্ত হবে। জেলাশাসকের ওই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে দুইটি পৃথক জনস্বার্থ মামলা হয়েছে। শিবপ্রসাদ চক্রবর্তী এবং সমরজিত ভট্টাচার্য ১৪৪ ধারা জারির স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা করেছেন।
ত্রিপুরা সরকার আদালতে জানিয়েছে, সদর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পুলিশ সুপারকে এক চিঠিতে জানিয়েছেন, তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিক ২২ সেপ্টেম্বর মিছিল করার অনুমতি চেয়েছেন এবং তাতে অশান্তি তৈরির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আইনজীবী শংকর লোধ জানিয়েছেন, সদর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের ওই চিঠি পশ্চিম জেলা পুলিশ সুপার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসকের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। জেলা শাসক সেই চিঠি স্বরাষ্ট্র দফতরে পাঠিয়েছিলেন। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র দফতর জেলা শাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছিল। এরপরই পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক পূর্ব ও পশ্চিম আগরতলা থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির আদেশ দেন।
আজ উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি এ এ কুরেশী এবং বিচারপতি এস জি চট্টোপাধ্যায় উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে জেলা শাসকের জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশে স্থগিতাদেশের আবেদন মঞ্জুর করেনি। বরং, আগামী ১৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করেছেন।

