নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ ডিসেম্বর ৷৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে স্বচ্ছ প্রসাসন দেওয়ার জন্য যতই ঢোল পেটাচ্ছেন ততোই যেন সরকারি বিভিন্ন অফিসের নগ্ণ চেহারা প্রকাশ পাচছে৷ এখনও রাজ্যের অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলিতে প্রায়ই সময়মতো সরকারি কর্মচারীরা আসেন না৷ এমনই এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে৷
কৈলাসহরের চন্ডীপুর ব্লকের অধীনে ধনবিলাস গ্রাম পঞ্চায়েতে৷ দীর্ঘদিন ধরেই ধনবিলাশ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রায়ই পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকে এবং যেদিন কোলা হয় তাও নির্ধারিত সময়ে খোলা হয় না৷ যার ফলে গ্রামবাসীরা প্রশাসনিক কাজে এসে অফিস বন্ধ পেয়ে বিষন্ন মনে বাড়িতে ফিরে যায়৷ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত অফিস দিলীপ দেবনাথ প্রায়ই পঞ্চায়েত অফিসে আসেন না এবং মাঝে মাঝে আসলেও একটু সময় থেকে বিডিও অফিসে কিংবা ব্যাঙ্কে কাজ আছে বলে চলে যান৷
পঞ্চায়েত সচিব দিলীপ দেবনাথের সঙ্গে পঞ্চায়েতে দু’জন জিআরএস স্টাফ থাকলেও উনারাও সচিবের মতো পঞ্চায়েত অফিসে আসেন না৷ প্রায়ই পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সংবাদ প্রতিনিধিরা সাড়ে বারোটায় ধনবিলাশ গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিসে গিয়ে দেখেন অফিস তালাবন্দি৷ অফিসে পঞ্চায়েত সচিব দিলীপ দেবনাথ সহ দু’জন জিআরএসও অফিসে আসেননি৷ পঞ্চায়েতের প্রবীণ নাগরিকরা বিভিন্ন কাজে এসে ফিরে যাচ্ছে অফিস বন্ধ দেখে৷ প্রবীণ নাগরিকরা ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যেই স্বীকার করেছেন যে এদিনের মতো প্রায়ই পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকে৷ এগারো আসন বিশিষ্ট ধনবিলাশ গ্রাম পঞ্চায়েতে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এগারো আসনেই বিজেপি তথা শাসক দলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছিল৷ অথচ শাসক দলীয় প্রতিনিধিরা এই ব্যাপারে উদাসীন৷


















