নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ অক্টোবর৷৷ বিধবংসী অগ্ণিকাণ্ডে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷ এতে হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও আগুনে পুড়ে ১০ লক্ষাধিক মূল্যের জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে৷ বুধবার দুপুরে আঠারোমুড়া পাহাড়ের ৪৩ মাইল এলাকায় চৈতন্য দেববর্মার বসতবাড়ি পুড়ে ছাঁই হওয়ার ঘটনায় পুলিশ এবং দমকল বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখা গেছে৷

এদিন বেলা দুটো নাগাদ স্থানীয় জনগণ হঠাৎ চৈতন্য দেববর্মার বাড়ি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন৷ সে সময় প্রতিবেশীরা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় জনগণ সকলে মিলে এগিয়ে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন৷ চৈতন্য দেববর্মা জানিয়েছেন, ওই সময় বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা বীরেন্দ্র দেববর্মা ঘুমিয়েছিলেন৷ আগুন লাগার ঘটনা টের পেতেই তিনি ছুটে গিয়ে বাবাকে কোনওমতে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসেন৷ রান্না ঘর থেকে রান্নার সিলিন্ডারটিও তিনি বাড়ির বাইরে নিয়ে আসতে সক্ষম হন৷ নইলে হয়তো-বা আরও বড় ধরনের বিপত্তি ঘটতে পারত, আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি৷
এদিকে স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, ওই বাড়িতে ধোঁয়া বের হচ্ছে টের পেয়েই মুঙ্গিয়াকামী থানা এবং দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়ার চেষ্টা হয়৷ কিন্তু দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও মুঙ্গিয়াকামী থানার সাথে কোনও যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁরা৷ অবশেষে ১০০ নম্বরে ডায়াল করে আগুন লাগার ঘটনাটি জানান স্থানীয় জনগণ৷ খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানা দমকল বাহিনীকে খবর দেয়৷ দীর্ঘ এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১ ঘণ্টার অধিক সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়৷ অবশেষে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বাড়ির আসবাবপত্র, কাগজপত্র এবং নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷ চৈতন্য দেববর্মা জানিয়েছেন, প্রায় ১০ লক্ষাধিক মূল্যের জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে৷
এদিকে, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর ভূমিকায় স্থানীয় জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷ সময়মতো দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কম হত৷


















