নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ৫ জুন৷৷ বিশ্রামগঞ্জে জেলা আদালত স্থাপনের দাবীতে আইপিএফটি জাতীয় সড়ক অবরোধ ও মিছিল করে বিশ্রামগঞ্জ

বাজারে৷ মঙ্গলবার সকাল এগারোটায় জেলা শাসক কার্য্যালয়ের সামনে টানা বিশ মিনিট আইপিএফটি কর্মী সমর্থকরা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখে৷ বিশ মিনিট পর এডিএম মানিক লাল দাস ও পুলিশের সহায়তায় অবরোধ মুক্ত করে৷ সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ডিএম’র অনুপস্থিতিতে এডিএমের নিকট আইপিএফটি একটি প্রতিনিধি দল ডেপুটেশন প্রদান করে৷ তিনি তাদের আশ্বাস দেন দাবীর বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে সহযোগিতা করবে৷ আইপিএফটির দাবী সিপাহীজলা জেলায় তিনটি মহকুমা রয়েছে৷ জম্পুইজলা, বিশালগড় ও সোনামুড়া৷ জেলা আদালত বিশ্রামগঞ্জে স্থাপিত হলে মহকুমার সকল স্তরের মানুষের সুবিধে হবে৷ তাছাড়া জনজাতিদের সবচেয়ে অসুবিধে হবে যদি বিশ্রামগঞ্জে জেলা আদালত স্থাপন না করা৷ কারণ জম্পুইজলা মহকুমার সোমবাইরা বাজার থেকে সোনামুড়া প্রায় ৭২ কিলোমিটার৷ তাদের এ পথ অতিক্রম করে সোনামুড়া কোর্টে যেতে হবে৷ তাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হবে জনজাতিরা৷ সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয় হচ্ছে সোনামুড়াতে আগেই এডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সেশাস কোর্ট রয়েছে৷ কিন্তু বিশ্রামগঞ্জ হচ্ছে তিনটি মহকুমায় মধ্যস্থল৷ বিশ্রামগঞ্জে জেলা আদালত স্থাপিত না হলে আইপিএফটি বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে জানান রামমোহন দেববর্মা (সেক্রেটারি বিশ্রামগঞ্জ জোনাল) এবং জিতেন দেববর্মা (এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি ত্রিপুরা)৷
এদিকে পূর্বেই বিশালগড় বার এসোসিয়েশনের সদস্য বাপী কর, সম্পাদক রিপন সরকার এবং সভাপতি শহিদ মিঞার মতো আইনজীবীরা সমস্ত অসুবিধাগুলোর কথা ২৮ মে সোমবার মহাকরনে আইনমন্ত্রী এবং আইন সচিবের কাছে তুলে ধরেছিলেন৷ সমস্ত ধরনের সুবিধা রয়েছে বিশ্রামগঞ্জে জেলা আদালত স্থাপনের৷ বিশ্রামগঞ্জ জেলা এসপি অফিসের পেছনে পাঁচ একর জমি জেলা আদালতের জন্য নির্ধারিত করেছিল তৎকালিন সময়ের ত্রিপুরা হাইকোর্টের মুখ্য বিচারপতি দীপক গুপ্তা এবং আইন সচিব দাতামোহন জমাতিয়া৷ কিন্তু বর্তমান রাজ্য হাইকোর্টের মুখ্য বিচারপতি অজয় রাস্তোগী সোনামুড়াতে জেলা আদালত স্থাপনের জন্য অর্ডার বের করেছেন৷ এদিকে অবরোধের ফলে জেলায় মানুষের সমস্যা হলে, সকল স্তরের মানুষের একই দাবী বিশ্রামগঞ্জে জেলা আদালত স্থাপিত হউক৷


















