আগরতলা, ১৩ সেপ্টেম্বর: সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণকে সামনে রেখে আগরতলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং রোটারি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হল বিশেষ কর্মসূচি ‘সঞ্জীবনী-৩’। সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের আধিকারিকরা, রোটারি ক্লাবের সদস্য এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতে সামাজিক উন্নয়ন, জনসেবা এবং মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সংগঠনের সম্মিলিত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানের ব্যানার অনুযায়ী, বিএসএফের উদ্যোগে এবং রোটারি ক্লাব অব অ্যাসপায়ারিং আগরতলা-এর সহযোগিতায় ‘সঞ্জীবনী-৩’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের প্রয়োজনমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনকল্যাণমূলক কাজকে আরও শক্তিশালী করার বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বিএসএফের পক্ষ থেকে সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে বাহিনীর বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের বিষয় তুলে ধরা হয়। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে জনসেবামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাহিনীর যোগাযোগ আরও দৃঢ় করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, রোটারি ক্লাবের সদস্যরা সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া ও প্রয়োজনমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানো, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে।
মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহার উপস্থিতিতে কর্মসূচির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির মধ্যে সমন্বয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও মত উঠে আসে।
এদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে বিএসএফের আধিকারিক, রোটারি ক্লাবের সদস্য এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। ‘সঞ্জীবনী-৩’-এর মাধ্যমে জনকল্যাণ, সামাজিক সহযোগিতা এবং মানবিকতার যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, আগামী দিনেও এই ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে বিএসএফের উদ্যোগ এবং জনসেবামূলক কাজে রোটারি ক্লাবের সহযোগিতা—দুইয়ের সমন্বয়ে ‘সঞ্জীবনী-৩’ কর্মসূচি আগরতলায় একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে উঠে আসে।



















