আগরতলা, ২৮ ফেব্রুয়ারি(হিঃস)৷৷ রাজ্যের দশটি প্রধান প্রধান নদীর নাব্যতা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকলেও, ত্রিপুরার প্রধান নদী গোমতী নদীর উপর ভিত্তি করে সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমায় বন্দর স্থাপন করা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে৷ নদীবন্দর স্থাপনের প্রাথমিক কাজ শুরু করার জন্য কেন্দ্রীয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় রাজ্য সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ ও অন্যান্য মৌলিক কাজের জন্য ২ কোটি টাকা দিয়ে দিয়েছে৷ প্রবীণ কংগ্রেস এমএলএ রতন লাল নাথের উত্থাপিত এক প্রশ্ণের জবাবে রাজ্য বিধানসভায়, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী জানান, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় জলপথে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধনের জন্য একটি ছো নদী বন্দরের অনুমোদন করেছে৷ সোনামুড়া মহকুমার গোমতী নদীতে ছোট ও মাঝারি জলযানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে যোগাযোগের এই নয়া পথের সূচনা হবে অচিরেই৷ তপন চক্রবর্তী বলেন, প্রায় ১২৫৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় অর্থানুকূল্যে বাস্তবায়িত হবে৷ ইতিমধ্যেই সোনামুড়া মহকুমায় গোমতী নদীর এই অংশের মান উন্নয়নের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে৷ একটি কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান আর আই টি ই এস দ্বারা বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট(ডিপিআর) প্রস্তুত করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক এটি অনুমোদন করেছে৷ তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পে গোমতী নদীকে সরাসরি বাংলাদেশের মেঘনা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে৷ আর এর ফলে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে৷ মন্ত্রী বলেন,এছাড়াও রাজধানী আগরতলার পাস দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওড়া নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য ১১১৯ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে৷ সোনামুড়া মহকুমার গোমতী নদী বন্দরের কাজ সমাপ্তির পর হাওড়া নদী প্রকল্পের কাজ শুরু হবে৷ তিনি আরও জানান, তিনটি পর্যায়ের প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে এবং রাজ্যে পূর্ত ও জল সম্পদ উন্নয়ন দফতরকে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷
2017-03-01

