একমাস ধরে নিখোঁজ স্বামী, সন্ধান দিতে পারছে না পুলিশও

নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলাসাগর, ১৩ জানুয়ারী৷৷ দীর্ঘ একমাস ধরে খঁুজে পাচ্ছে না অভাগী স্ত্রী তার স্বামীকে৷ ঘটনাটি ঘটে

কৃষ্ণ দাস
কৃষ্ণ দাস

রইস্যাবাড়ি এলাকায়৷ অভাগী স্ত্রী ও তার স্বামী কৃষ্ণ দাস কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়৷ ঘটনাসূত্রে জানা যায়, যতনবাড়িতে বসবাস করেন সুধীর সরকার৷ সুধীর সরকারের মেয়ে স্বপ্ণা সরকারের বিবাহ হয় রইস্যাবাড়ির বাদল দাসের ছেলে কৃষাণ দাসের সাথে৷ স্বপ্ণার ও কৃষাণের সংসারে ছোট একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে৷ কিছুদিন পড়ে এই সংসারে নেমে আসে অশান্তি৷ রোজদিন স্বপ্ণা ও কৃষাণের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়৷ শ্বশুর ও শাশুড়ির কাছ থেকে স্বপ্ণা কোনো রকম স হযোগিতা পায় না৷ কিছুদিন পড়ে এলাকার পঞ্চায়েতে স্বপ্ণা ও কৃষাণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসে পরিবারের লোকেরা৷ সেখানে স্ট্যাম্প পেপারে এলাকার কিছু ব্যক্তির স্বাক্ষর নিয়ে মীমাংসা করা হয়৷ তার কিছুদিন পর কৃষান দাস তার স্ত্রী স্বপ্ণাকে নিয়ে উদয়পুর টেপানিয়াতে ঘর ভাড়া করে৷ সেখানে বসবাস করেন দীর্ঘ একমাস উদয়পুর টেপানিয়া গোল্লা চৌমুহনী এলাকায় কৃষাণ ও তার স্ত্রী স্বপ্ণা ভাড়াটিয়া থাকত৷
ঘর ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় বাড়ির মালিক তাদের ঘর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন৷ তখন কৃষান তার শ্বশুর বাড়িতে খবর দেয়৷ খবর শুনে শাশুড়ি এবং মাসি শাশুড়ি এই ভাড়াটিয়া বাড়িতে আসেন৷ তখন জামাই কৃষান বলেন তার স্ত্রীও ছোট ছেলেকে নিয়ে কিছুদিন শ্বশুর বাড়িতে রাখার জন্য৷ কৃষাণ কাজের সন্ধান করে নিজে শ্বশুর বাড়ি এসে তার স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে যাবে৷ জামাইয়ের সে কথা শুনে শাশুড়ি মা তার নিজ মেয়ে ও নাতিকে বাড়িতে নিয়ে যায়৷ কিন্তু কৃষান কাজের সন্ধানে বেরিয়ে দীর্ঘ একমাস ধরে বাড়ি ফিরেনি৷ এদিকে স্ত্রী স্বপ্ণা মোবাইল ফোনে ফোন করে৷ কিন্তু মোবাইল ফোন বন্ধ বলে সে স্বপ্ণা যোগাযোগ করতে পারছে৷ তার স্বামী কোথায় আছে৷ শ্বশুর বাড়িতেও ফোনে যোগাযোগ হচ্ছে না বলে জানাল স্বপ্ণা ও তার বাড়ির লোকজন৷ স্বপ্ণা তার স্বামীকে খঁুজে বেড়াচ্ছে৷ পড়ে উদয়পুর রাধাকিশোর পুর থানায় স্বপ্ণা তার স্বামীকে না পাওয়া মিসিং ডায়েরি করে৷ বর্তমানে স্বপ্ণা এখন কমলাসাগরে মাসির বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *