ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ সেপ্ঢেম্বর৷৷ খেলরত্ন অলিম্পিয়ান দীপা কর্মকারকে সংবর্ধনা প্রদান করলো তৃণমূল কংগ্রেস৷
পাশাপাশি দীপার কোচ দ্রোণাচার্য বিশ্বেশ্বর নন্দীকেও সংবর্ধনা দিল তৃণমূল কংগ্রেস৷ অভয়নগরস্থিত দীপার বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস সংবর্ধনা প্রদান করলো দীপা ও বিশ্বেশ্বর নন্দীকে৷ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সভাপতি মুকুল রায় সহ বাংলার একাধিক নেতা৷ ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবল তারকা প্রসূন ব্যানার্জী৷ তাছাড়া তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ, সুরজিৎ দত্ত, যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি প্রশান্ত চক্রবর্তী, তৃণমূল নেতা রতন চক্রবর্তী ও ভিকি প্রসাদরা৷ অনুষ্ঠানে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ দীপাকে স্বর্ণের হার দিয়ে বরণ করেন৷ প্রসূন ব্যানার্জী বিশ্বেশ্বর নন্দীকে অশোক স্তম্ভের স্মারক ও মোহনবাগান ক্লাবের দলীয় জার্সি তুলে দেন৷ পাশাপাশি তারা আশা প্রকাশ করেন আগামী টোকিও অলিম্পিকে দীপা দেশের হয়ে অবশ্যই পদক জিতবে৷ এদিকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সংবর্ধনা পেয়ে অলিম্পিয়ান দীপা কর্মকারও দারুণ আপ্লুত৷ দীপা বলেন, আগামী অলিম্পিকে দেশকে পদক এনে দেওয়ার জন্য তিনি ঝাপাবেন৷ এদিকে অনুষ্ঠানে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ বলেন, দীপাকে সংবর্ধনা প্রদান রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য নয়৷ সত্যিকারের অর্থে রাজ্যের এই মেয়ে বিশ্বমঞ্চে দেশকে গর্বিত করেছে৷ উল্লেখ্য, সদ্য শেষ হওয়া রিও অলিম্পিকে রাজ্যের মেয়ে দীপা কর্মকার ৫২ বছর পর জিমন্যাস্টিক্সে যোগ্যতা অর্জন করেন৷ তাছাড়া দীপা ছিলেন দেশের প্রথম মহিলা জিমন্যাস্ট, যিনি প্রথমবার ভারতের হয়ে অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা পায়৷ জিমন্যাস্টিক্সের ভল্টিং ইভেন্টে মাত্র ১৫ পয়েন্টর জন্য পদক হাত ছাড়া হয় দীপা কর্মকারের৷ তবে চতুর্থ স্থান অর্জন করেই নজির স্থাপন করেছেন দীপা কর্মকার৷ ফলে রিও থেকে ফেরার পর সংবর্ধনার বন্যায় ভাসছেন দীপা ও বিশ্বেশ্বর নন্দী৷ রাজ্য সরকার গত ২২ আগষ্ট সংবর্ধনা প্রদান করেছিল দীপা ও বিশ্বেশ্বর নন্দীকে৷


















