পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হল নীরমহল

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ জানুয়ারি৷৷ ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনেই ভূমিকম্প নিরোধক কাজ শেষ করারপর নীরমহল পর্যটন কেন্দ্রটি তুলে দেওয়া পর্যটন দপ্তরের হাতে৷ সে সঙ্গে পর্যটকদের জন্য নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই উন্মুক্ত হল রাজন্য স্মৃতি বিজরিত নীরমহল৷
নতুন ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে রাজ্যবাসীর জন্য নতুন উপহার৷ ভূমিকম্প নিরোধক কাজ করার কাজ শেষ করে পূর্ত দপ্তর নীরমহলকে তুলে দিল পর্যটন দপ্তরের হাতে৷ সে সঙ্গে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হল রাজন্যস্মৃতি বিজড়িত এই প্রাসাদটির প্রতিটি প্রান্ত৷ রাজ্য পর্যটনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে গৃহীত হল আরো বেশ কিছু পরিকল্পনা৷ নীরমহলের স্থায়ীত্ব বাড়ানোর জন্য ২০১৩ সালের জুন মাসে নীরমহলকে ভূমিকম্প নিরোধক করার কাজে হাতলাগনো হয়৷ প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ করা হয় সাড়ে সাত কোটি টাকা৷ পরবর্তী সময়ে আরো দুই কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়৷ নীরমহলে লাগানো হয়েছে এলইডি লাইট এবং সিসি ক্যামেরাও৷ মহল অভ্যন্তরে তৈরি করা হয়েছে দুটি আধুনিক মানের শৌচাগার৷ নববর্ষের প্রথম দিনে পূর্ত দপ্তর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে নীরমহল পর্যটন কেন্দ্রটিকে তুলে দিয়েছে পর্যটন দপ্তরের হাতে৷ পর্যটন মন্ত্রী রতন ভৌমিক নীরমহল পর্যটন কেন্দ্রটি ঘুরে দেখেছেন৷ তিনি পর্যটন কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণ সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকও করেছেন৷ পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, এই এলাকায় দুটি ইট ভাট্টা আছে৷ ভাট্টার ধুয়ো নীরমহলের ক্ষতি করছে৷ তা বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে৷ নীরমহলের নব্যতা রক্ষা করার জন্য নয়াছড়ার জল অন্যপথে সরাসরি গোমতীতে নিয়ে যাবার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে৷ তা করা হলে নয়াছড়ার পলিমাটি নীরমহলের নব্যতা কমাতে পারবে না৷ জলও দূষিত হবে না৷ এমআই দপ্তর এজন্য ১৫ কোটি টাকারপ্রকল্প গ্রহণ করেছে৷ আগামী সপ্তাহ থেকে এই প্রকল্পে কাজ শুরু হবে৷
নীরমহল পর্যটন কেন্দ্রের সংস্কার কাজ চলতে থাকায় বেশ কিছুদিন ধরেই পর্যটকরা বঞ্চিত হয়ে আসছিলেন৷ সংস্কার কাজ শেষ করে নীরমহল পর্যটন দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়ায় পর্যটকদের আকর্ষণ আরো বাড়বে তাতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *