News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • জমি কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে গোটা রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবে প্রদেশ কংগ্রেস : আশিষ
Image

জমি কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে গোটা রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবে প্রদেশ কংগ্রেস : আশিষ

আগরতলা, ৪ এপ্রিল : গোটা ত্রিপুরায় কোটি কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারির তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তারপরও মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডঃ) মানিক সাহা সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছেন না। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে গোটা রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবে প্রদেশ কংগ্রেস। আযে প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা।

আজ সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রী সাহা বলেন, জমি কেলেঙ্কারী ত্রিপুরার একটি বড় কেলেঙ্কারী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবিষয়ে ত্রিপুরা বিধানসভায় কংগ্রেসের বিধায়করা আলোচনা করতে চাইলে তাঁদের থামিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিষয়ে তুলে ধরেন। এদিন শ্র্রী সাহা বলেন, গত ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সিপাহীজলার ডিএম রাজ্য সরকারের নিকট জমি দুর্নীতির নিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। ওই চিঠিতে ১৪০০ কানি জায়গার দুর্নীতির বিষয়ে উল্লেখ্য করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি, ওই চিঠিতে জমি মাফিয়াদের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট দফতরের দুইজন উচ্চ পদস্থ কর্মচারীর নামও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্য্যের বিষয়, চিঠি দেওয়ার ২২ দিনের মাথায় তাঁকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। কারণ, তাঁর অপরাধ সাধারণ মানুষ হয়ে জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তিনি। ওই চিঠিতে সিপাহীজলা জেলার ডিএম লেখেন, সিপাহীজলা জেলায় কোনো দলিল প্রমাণ ছাড়াই জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। তাছাড়া, খাস জমি নিজেদের ব্যবহারের রূপান্তরিত করা, খাস জমিকে বরাদ্দকৃত জমি হিসেবে দেখানো হয় এবং তারপর অনুমতি ছাড়াই বরাদ্দকৃত জমিকে ব্যবহারের জমিতে রূপান্তর করা হয় এবং বরাদ্দকৃত জমি যথাযথ অনুমতি ছাড়াই নিজেদের ব্যবহারেট জমিতে রূপান্তরিত করা সহ একাধিক অবৈধ কাজ হচ্ছে। এই কাজের সাথে ল্যান্ড রেকর্ড অ্যান্ড সেটেলমেন্ট অফিসার রত্নজিৎ দেববর্মা এবং সহকারী সিনিয়র কম্পিউটার কর্মী তাপস চৌধুরী যুক্ত রয়েছে। অতিসত্বর তাদেরকে অপসারণ করা দরকার এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা উচিত। এদিন আরও লেখেন, সিপাহীজলার ডিএম ও কালেক্টর চার্জশিট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তা প্রদান করবেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দুইজন আধিকারিকরা ভূমি মাফিয়াদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলে তারা জমির রেকর্ড কারচুপির চেষ্টা করতে পারে।

এদিন তিনি আরো বলেন, জমি কেলেঙ্কারী ত্রিপুরার একটি বড় কেলেঙ্কারী হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোটা রাজ্য কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। অতিসত্বর এর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করা দরকার। কোনো দুর্বলতা না থাকলে সিবিআই তদন্ত দেওয়া উচিত। তাই আগামী ১৫ দিনের মধ্যের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ গ্রহণ না করলে গোটা রাজ্যে বড় আন্দোলনে সামিল হবে প্রদেশ কংগ্রেস।

Releated Posts

ওয়ারেংবাড়ি ভোটকেন্দ্রে গুলিকাণ্ড, গ্রেপ্তার ২

আগরতলা, ১ অক্টোবর: ত্রিপুরা ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমার গামারিয়া বাড়ির ওয়ারেংবাড়ি ভোটকেন্দ্রে তিপরা…

ByByTaniya Chakraborty Oct 1, 2026

শচীন দেববর্মনের জীবন ও সংগীতসাধনা নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১ অক্টোবর: কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী শচীন দেববর্মনের জীবন, সংগ্রাম ও সংগীতসাধনা আজকের প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস বলে মন্তব্য…

ByByTaniya Chakraborty Oct 1, 2026

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে কংগ্রেসের গণ অবস্থান

আগরতলা, ১ অক্টোবর: ভোট চুরি, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার…

ByByTaniya Chakraborty Oct 1, 2026

নাবালিকাকে চার মাস চাইল্ড কেয়ার হোমে আটকে রাখার অভিযোগ, বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ উচ্চ আদালতের

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: গণ্ডাছড়ার এক নাবালিকাকে প্রায় চার মাস ধরে বেআইনিভাবে চাইল্ড কেয়ার হোমে আটকে রাখার অভিযোগে হস্তক্ষেপ…

ByByReshmi Debnath Sep 30, 2026
Scroll to Top