ক্যান্সার আক্রান্ত সেরা ব্যাডমিন্টন তারকা লি চং ওয়ে
বেজিং, ২৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাডমিন্টন তারকা লি চং ওয়ের নাকে ক্যান্সার। কিছুদিন আগেই গোল্ড কোস্টে কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের কিদাম্বি শ্রীকান্তকে হারিয়ে সোনাজিতেছেন তিনি। বর্তমানে লি চং তাইওয়ানে। সেখানেই চিকিৎসা হচ্ছে তাঁর। মালয়েশিয়ার ব্যাডমিন্টন সংস্থার বক্তব্য, প্রথম স্টেজেই ক্যান্সার ধরা পড়েছে। চিকিৎসাতেও সাড়া দিচ্ছেন কিংবদন্তি শাটলার।যদিও অন্য সূত্রে খবর, মারণ রোগ ধরা পড়েছে তৃতীয় কি চতুর্থ স্টেজে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের। ৩৫ বছরের লি বর্তমানে বিশ্বের চার নম্বর। ৬৯টি আন্তর্জাতিক খেতাব রয়েছে। অলিম্পিকে তিনটি রুপোর পদক রয়েছে। ব্যাডমিন্টনের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র প্লেয়ার যিনি ১৯৯ সপ্তাহ ধরে বিশ্বের এক নম্বরেছিলেন। চিনে বিশ্ব মিট এবং তার পর এশিয়ান গেমস থেকে নাম তুলে নেন শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে। তখনই ধরা পড়ে, মারণ রোগ তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে। মালয়েশিয়ার ব্যাডমিন্টন সংস্থার প্রেসিডেন্ট দাতুকসেরি নর্জা জাকারিয়া বলছেন, ‘তাইওয়ানে ওর চিকিৎসা চলছে। ও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে। পরিবার এবং কাছের বন্ধুদের সঙ্গে এখন সময় কাটাচ্ছে।’ একই সঙ্গে পরিবারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যাতে রক্ষিতহয়, সে জন্যও সংবাদমাধ্যমের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ক্রীড়াবিদদের মধ্যে এই রোগের থাবা এই প্রথম নয়। ল্যান্স আর্মস্ট্রং, এরিক আবিদাল, যুবরাজ সিং, মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, রিচার্ড হ্যাডলি,জিওফ্রে বয়কট, জোয়েল বাট, সাইমন ও’ডোনেল, ডেভ কালাঘান, মাইকেল ক্লার্ক, সবাই ক্যান্সারকে হারিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। মারা গিয়েছেন ম্যালকম মার্শাল, মার্টিন ক্রোর মত ক্রিকেটার। ঠিকমতো চিকিৎসা হলে এবং রোগ শুরুর দিকে ধরা পড়লে অনেকটাই ফিরে আসার সুযোগ থাকে।
শান্তি আলোচনা এবং সন্ত্রাসবাদী হামলা দুটো একই সঙ্গে চলতে পারে না : বিপিন রাওয়াত
নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.) শান্তি আলোচনা এবং সন্ত্রাসবাদী হামলা দুটো একই সঙ্গে চলতে পারে না। রবিবার এমনই জানালেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদেশমন্ত্রক পর্যায়বৈঠক বাতিল হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি এমন ধরণের মন্তব্য করেছেন। এদিন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত বলেন, তারা(পাকিস্তান) ক্রমাগত বলে চলেছে অন্য দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মদত দেবে না। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চলছে এবংসীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদীরা নাশকতামূলক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একমাত্র সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে শান্তি আলোচনার হবে কিনা। আমি মনে করি শান্তি আলোচনা বাতিল করেদিয়ে সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এটাই আমাদের সরকারের নীতি। এর মাধ্যমে আমরা পাকিস্তানকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। পাকিস্তানকে প্রমাণ করতে হবে যে তারা জঙ্গিদের মদত আর করবে না। উল্লেখনীয়, বিদেশমন্ত্রী পর্যায় বৈঠকের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন ইমরান খান। ভারতও পাকিস্তানের এই দাবিকে সম্মতি জানিয়ে ছিল। ঠিক হয় রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্মেলনের ফাঁকেদুই দেশের বিদেশমন্ত্রী বৈঠক করবেন। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গিদের গুলিতে তিন পুলিশ কর্মীর মৃত্যুর পর ভারত বিদেশমন্ত্রী পর্যায় বৈঠক বাতিল করে দেয়।




