News Flash

  • Home
  • Uncategorized
  • কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে বিধ্বংসী আগুন
Image

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে বিধ্বংসী আগুন

ঢাকা, ২৩ মার্চ ( হি. স. ) : বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে বিধ্বংসী আগুন। এখনও পর্যন্ত সাত জনের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে রাতে। কিন্তু বেশ কয়েক ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও পুরো এলাকা ঢেকে আছে কালো ধোঁয়ায়। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পোড়া ধ্বংসস্তূপ দেখেই বোঝা যাচ্ছে আগুনের তীব্রতা ছিল কতটা। আর সেই স্তূপ থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক দেহ।
মায়ানমার থেকে এসে এই কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছিলেন এই রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। এই ক্যাম্পে কয়েক লক্ষ মানুষের বাস। আগুনে অন্তত হাজার দশেক ঘর ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীতে ৮ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার বিকেলে। আগুন যখন বড় আকার নিতে শুরু করে, তখন ছুটে যায় বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ। হাত লাগান স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও। পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চেষ্টার পর রাত সোয়া ৯টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
কক্সবাজার ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহদাত হোসেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সাতজন রোহিঙ্গার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে দুই শিশু ও দুই মহিলা। কিন্তু আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে তা এখনও স্পষ্ট নয়। কত ক্ষতি হয়েছে সেই হিসেবও আসেনি এখনও। তবে অনেকে পালিয়ে বাঁচলেও মৃতের সংখ্যে আরও বাড়বে বলে দাবি শরণার্থীদের। পালাতে গিয়ে প্রায় ৫০ জন আহত বা অগ্নিদগ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের কক্সবাজারে বিস্তীর্ণ বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে ৩৪টি শরণার্থী শিবির। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮ নম্বর শিবিরের একটি ঘরে প্রথমে আগুন লাগে। সেখান থেকে আশেপাশের ক্যাম্পগুলিতেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। এক শরণার্থীর কথায়, ‘মায়ানমারে সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, এবার এখানেও…’ উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের অফিসার ইমদাদুল হক জানিয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেছেন, ‘‘ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’’ তবে শিবিরের পাশে ফেন্সিং থাকায় অনেকেই পালানোর পথ পাননি বলে জানা গিয়েছে। সাহায্যের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের রিফিউজি এজেন্সির তরফ থেকে প্রচুর স্বেচ্ছাসেবী পাঠানো হয়েছে। ২০১৭-তে মায়ানমার ছেড়ে চলে আসে রোহিঙ্গারা। তাদের আশ্রয় দেওয়া হয় বাংলাদেশের এই এলাকায়।

Releated Posts

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রিপুরায় মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রিপুরায় শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প…

ByByTaniya Chakraborty Sep 14, 2026

সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য চা গাছ কাটার অভিযোগ, চা বাগানে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আগরতলা, ৯ সেপ্টেম্বর: সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য জমি পরিষ্কারের নামে বোল্ডোজার দিয়ে চা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র…

ByByTaniya Chakraborty Sep 9, 2026

বিলোনিয়ায় ৬৫তম জাতীয় শিক্ষক দিবস উদযাপন, সম্মানিত ২৫ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিলোনিয়া, ৫ সেপ্টেম্বর: বিদ্যালয় শিক্ষা পরিদর্শক, বিলোনিয়া এবং শিক্ষক দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে শনিবার বিলোনিয়া কলেজ স্কয়ার সংলগ্ন…

ByByNews Desk Sep 5, 2026

অনুরাগ ধনকরের মৃত্যু নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর ‘হস্তক্ষেপের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের মিছিল

আগরতলা, ৩ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আগরতলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। পুলিশপ্রধান অনুরাগ ধনকরের মৃত্যুর…

ByByReshmi Debnath Sep 3, 2026
Scroll to Top