আগরতলা, ৮ ডিসেম্বর (হি.স.)৷৷ কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আহূত মঙ্গলবারের ভারত বনধ-এর প্রভাব ত্রিপুরায় তেমন পড়েনি৷ যানবাহন চলাচল প্রায় স্বাভাবিক ছিল৷ অফিস-আদালত, সুকল-কলেজও খোলা ছিল৷ তবে, সুকল-কলেজে এদিন উপস্থিতির হার অনেক কম ছিল৷ তেমনি, রাস্তায় যাত্রী সংখ্যা অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের তুলনায় কিছুটা কম ছিল৷ কিন্তু, সরকারি অফিসে হাজিরা ছিল যথেষ্ট৷ শাসক-বিরোধী উভয় দল এ-দিন বনধ-এর পক্ষে-বিপক্ষে মিছিল বের করেছে৷ উভয় পক্ষই বনধ সাফল্য বলে দাবি করেছে৷
এদিন সকালে নাগেরজলা বাস স্ট্যান্ডে যান চালকদের দেখে মনে হয়েছে ত্রিপুরায় বনধ পালিত হচ্ছে না৷ কিন্তু, বেলা যত গড়িয়েছে বড় যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা ততই কমেছে৷ সকালের দিকে অনেকেই স্ট্যান্ডে গাড়ি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন৷ পরবর্তী সময়ে ছোট গাড়ি বেশি যাতায়াত করতে দেখা গেছে৷ যান চালকদের দাবি, ত্রিপুরায় বনধ-এর ছিটেফেঁটাও নজরে আসছে না৷ অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতোই যান চালকরা স্ট্যান্ডে এসেছেন৷ গাড়িতে যাত্রীও রয়েছেন৷রাজধানী শহর আগরতলায় কিছু দোকানপাট সকালের দিকে খুলেনি৷ কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেই সব দোকানপাট খুলতে শুরু করে৷ কিছু জুয়েলারি দোকান এদিন পুরো ঝাঁপ ফেলে রেখেছে৷ এছাড়া জামা-কাপড়, প্রসাধনী ইত্যাদির দোকান অনেকটাই খোলা৷ রাজধানী আগরতলায় অটো, প্যাডেল রিকশা অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ভাবে রাস্তায় চলাচল করছে৷ তবে, কোলাহল অনেকটা কম ছিল আজ৷
অবশ্য, প্রত্যন্ত এলাকা অনেকটা জনশূন্য হয়ে রয়েছে৷ বিভিন্ন বাজার আজ খুলেনি৷ ধলাই জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা গেছে৷ এছাড়া অন্য জেলায় মানুষের চলাফেরা দেখা যাচ্ছে ঠিকই৷ কিন্তু, স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম৷ বিশেষ প্রভাব পড়েছে এডিসি সদর খুমুলুঙে৷ এডিসি-র প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন দফতরে এদিন কর্মচারীদের হাজিরা অনেকটা কম ছিল৷

