নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ অক্টোবর৷৷ করোনা আক্রান্তদের হোম আইসোলেশনে সরকারি সহায়তা নিয়ে ত্রিপুরা হাইকোর্ট-এ অ্যাডভোকেট জেনারেলেরর সওয়ালকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে৷ বিরোধীরাও ওই ইস্যুটি লুফে নিয়েছেন৷ আজ সিপিএম পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা কমিটি ওই ইস্যুতে স্বাস্থ্য অধিকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেছে৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য অধিকর্তার অনুরোধে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ৫ জনের এক প্রতিনিধি দল সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনায় মিলিত হন৷
আজ সিপিএম পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা সম্পাদক পবিত্র কর-র নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিকর্তা-র কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়েছে৷ এদিন তিনি বলেন, চাল, ডাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে করোনা আক্রান্তদের হোম আইসোলেশনে থাকাকালীন সহায়তার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ত্রিপুরা সরকার৷ অথচ, হাইকোর্ট-এ অ্যাডভোকেট জেনারেল সাফ জানালেন, এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি রাজ্য সরকার৷ তিনি প্রশ্ণ তুলে বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত কে করছেন, তা স্পষ্ট হওয়া খুবই জরুরি৷ কারণ, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বোকা বানান এখন আর সম্ভব নয়৷
তিনি সুর চড়িয়ে বলেন, করোনাকালে মানুষ অনেক যন্ত্রনা সহ্য করছেন৷ তাই, বাধ্য হয়ে আজ বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করা হচ্ছে৷ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জেলাশাসক এবং স্বাস্থ্য দফতর ওই আদেশ করুক৷ নইলে, সারা ত্রিপুরা জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করা হবে৷ তখন পালাবার রাস্তা খুঁজে পাওয়া যাবে না৷ পবিত্র কর ক্ষোভের সুরে বলেন, আজকেও আমাদের কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়েছে৷ গাড়ির মালিকদের হুমকি দিয়েছে৷ ফলে, আমাদের কেউ গাড়ি ভাড়া দেননি৷ তাঁর দাবি, আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চাইছি৷ অথচ, তাতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে৷ তিনি পুলিশ-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিজেপি- জোট সরকারের বিরোধী দমনে নির্লজ্জ আদেশের বিরুদ্ধে কথা বলুন৷ কারণ, আপনারাও নানা ক্ষতিগ্রস্থ৷
এদিকে, দীর্ঘ সময় ঘেরাও কর্মসূচি সংগঠিত হওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিকর্তা আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনার জন্য ডাকেন৷ তাঁদের মধ্যে থেকে ৫ জনের এক প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য অধিকর্তার সাথে আলোচনায় মিলিত হন৷ তাঁদের সমস্ত অভিযোগ লিখিত আকারে জমা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা অনুরোধ জানিয়েছেন৷



















