
রাঁচি, ১২ ডিসেম্বর (হি.স.) : বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হল। নির্বাচন সমাপ্ত হওয়ার পরে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক বিনয় কুমার চৌবে সাংবাদিকদের জানান, ৮ জেলার ১৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটগ্রহণের পরিমাণ ছিল ৬২.৩৫ শতাংশ। নির্বাচনের ভোটের সময় সবচেয়ে বেশি ভোট হয় সিলিতে। সর্বোচ্চ শতাংশ ছিল ৭৬. ৯৮। তাই সর্বনিম্ন ছিল রাঁচিতে ৪৯.১।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, গতবারের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটদানের পরিমাণ ছিল ১.৬৭ শতাংশ কম। এদিন তৃতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরে বিজেপি রাজ্য দফতরে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক প্রকাশ বলেন, গত তিনটি দফায় ৫০ টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে এবং আমাদের বিভিন্ন উত্স থেকে আসা প্রাপ্ত তথ্য পরিষ্কারভাবে বলেছে জনগণের প্রবণতা বিজেপির দিকে এবং ভারতীয় জনতা পার্টি রাজ্যে ফিরে আসবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠিত হবে। বিরোধীরা আমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না। ভারতীয় জনতা পার্টি যেভাবে রাজ্যের মানুষের ভালবাসা পাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি ভালভাবে সাধারণ মানুষ নিয়েছেন এবং পরবর্তী দুই দফায় ভারতীয় জনতা পার্টি বাকী ৩০ টি আসনে ভাল ফল করবে।
এদিকে ঝাড়খন্ড বিধানসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণের শেষে রাজ্যে ক্ষমতায় ফেরা ব্যাপারে আশাবাদী ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা। এদিন ভোটগ্রহণে পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার কেন্দ্রীয় মহাসচিব সুপ্রিয় ভট্টাচার্য জানিয়েছেন তৃতীয় দফার নির্বাচনের পর এখন ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার সরকার তৈরি জন্য ৪১ আসনের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে গিয়েছে। আগামী দুইটি পর্যায়ে ভোটগ্রহণের পর হেমন্ত সোরেনের নেতৃত্বে জোট সরকার নিশ্চিত ভাবেই গঠন হবেন। পাশাপাশি ধানবাদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী জনসভাকে কটাক্ষ করে তিনি জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী ঝাড়খন্ডে এলে রাজ্যের কথা না বলে সাম্প্রদায়িকতা প্রচারের কথা বলেন। জনসভায় দ্বিজাতি তত্বের কথা নরেন্দ্র মোদী বলেছেন। হিন্দু মহাসভা ও জিন্নার কথা বলেন যাদের জন্য ভাগ হয়েছিল দেশ।



















