আগরতলা, ১১ ডিসেম্বর (হি. স.) : নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধীতায় বিনা অনুমতিতে প্রদেশ কংগ্রেসের বিক্ষোভ মিছিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় প্রদেশ যুব কংগ্রেস আগামীকাল ১২ ঘন্টার ত্রিপুরা বনধ ডেকেছে। সদর এসডিপিও ধ্রুব নাথ জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মিছিল থেকে পুলিশের দিকে মশাল ছুড়ে মারা হয়েছিল। তাতে সাব ইন্সপেক্টর আশুতোষ শর্মা আহত হয়েছেন। কংগ্রেসের দাবি, বিনা কারণে পুলিশ দলীয় কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। তাতে, ৪ জন আহত হয়েছেন।

আজ বিকেল চারটায় আগরতলায় পোস্ট অফিস চৌমুহনীস্থিত প্রদেশ কংগ্রেস মুখ্য কার্যালয় থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধীতায় এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু মিছিলে পুলিশের বিরুদ্ধে বিনা কারণে লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কনভেনর পীযুষ কান্তি বিশ্বাস বলেন, শান্তিপ্রিয় মিছিলে পুলিশের বর্বরতার শিকার হয়েছি আমরা। দলের তরুণ তুর্কি নেতা বাপটু চক্রবর্তীর মাথায় পুলিশের লাঠির আঘাত লেগেছে। এছাড়াও আরো তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁর পায়েও পুলিশের লাঠির আঘাত লেগেছে বলে তিনি দাবি করেছেন। পীযূষবাবু বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর পুলিশের আক্রমণের প্রতিবাদে প্রদেশ যুব কংগ্রেস আগামীকাল ১২ ঘন্টার ত্রিপুরা বনধ ডেকেছে।
এদিনের ঘটনা নিয়ে সদরের এসডিপিও ধ্রুব নাথ বলেন, আজ মিছিলের কোন অনুমতি নেয়নি প্রদেশ কংগ্রেস। বিনা অনুমতিতে মিছিল থেকে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে মশাল আগুনের ছুড়ে মেরেছে। তাতে সাব ইন্সপেক্টর আশুতোষ শর্মার হাত পুড়ে গেছে। উত্তেজিত কংগ্রেস কর্মীদের মিছিলকে ছত্রখান করতে পুলিশকে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। এদিকে, মিছিলের খবর সংগ্রহে গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে পরে দুই জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, এদিনের ঘটনায় আগরতলা শহরে বিকেলের পর থেকে পরিস্থিতি থমথমে হয়ে রয়েছে। পুলিশের দাবি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। শহর জুড়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।



















