নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ সেপ্ঢেম্বর৷৷ মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে সিএনজি কর্মীরা৷ ঠিকেদারের অধীন কর্মরত সিএনজি কর্মীদের মজুরি বৃদ্ধি না করা হলে অনির্দিষ্ট কালের কর্মবিরতি পালন করবেন তারা, এমনই হুমকি দিয়েছেন৷ এদিকে, সিএনজি কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে গ্যাস না পেয়ে যান চালকরা রাগারাগি করলে আন্দোলনকারীরা আগরতলা-সাবরুম সড়ক বরোধ করেন৷ শেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে তারা অবরোধ তোলে নিলেও, দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন৷

আজ সকাল থেকেই টিএনজিসিএলের অনিয়মিত কর্মীরা কর্মবিরতি শুরু করেন৷ তাদের দাবি, অবিলম্বে বেতন বৃদ্ধি করতে হবে এবং ঘনঘন ঠিকেদারি সংস্থা পরিবর্তন করা যাবে না৷ এই আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া জনৈক কর্মী বলেন, বহু বছর ধরে তাদের বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে না৷ এমনও অনেক কর্মী রয়েছেন, যাদের আজ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি হয়নি৷ অথচ, প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে৷ তার অভিযোগ, টিএনজিসিএল কর্তৃপক্ষ মর্জিমাফিক ঠিকেদারি সংস্থা পরিবর্তন করেন৷ তাতে, অনিয়মীত কর্মীরা নানা সমস্যার মুখে পড়েন৷
এদিন অনিয়মিত কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে সিএনজি গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়৷ বাধারঘাট স্থিত সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়৷ এদিকে, আন্দোলনকারীদের বারবার বোঝানো হলেও তারা নিজেদের দাবি থেকে সরে আসবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন৷ তাতে, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা যান চালকরা ভীষণ বিরক্ত হন এবং আন্দোলনকারীদের সাথে রাগারাগি করেন৷ তাতে, আন্দোলনকারীরা আগরতলা-সাবরুম জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন৷ খবর পেয়ে, এ ডি নগর থানার পুলিশ অবরোধস্থলে ছুটে আসেন৷ পুলিশ অবরোধকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহারে সক্ষম হন৷ কিন্তু, তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন৷
এদিকে, এই অচলাবস্থা নিয়ে টিএনজিসিএল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি৷ তবে সূত্রের দাবি, ওই কর্মীদের দাবিদাওয়া নিয়ে টিএনজিসিএল কর্তৃপক্ষ বৈঠক করেছেন৷ কিন্তু, তাতে কোন সমাধান বেরিয়ে এসেছে কিনা, তা এখনই বলা মুশকিল৷ ফলে, আগামীকাল ফের সিএনজি স্টেশনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হবে, সেই আশঙ্কা করা হচ্ছে৷



