News Flash

  • Home
  • Uncategorized
  • ইলেক্ট্রিসিটি ডিউটি বিল, রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য ভোক্তাদের উপর বোঝা চাপানো উচিৎ হবে না : মানিক দে
Image

ইলেক্ট্রিসিটি ডিউটি বিল, রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য ভোক্তাদের উপর বোঝা চাপানো উচিৎ হবে না : মানিক দে

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর ৷৷ ইলেক্ট্রিসিটি ডিউটি বিল ত্রিপুরায় লাগু হলে ভোক্তাদের উপর প্রচন্ড চাপ পড়বে৷ কারণ, মাশুল বৃদ্ধি হবে, সাথে বিদ্যুৎ নিগমের রুগ্ণ দশা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল৷ শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এ-ভাবেই ওই বিলের বিরোধীতায় সরব হলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন বিদ্যুৎ মন্ত্রী মানিক দে৷ তাঁর মতে, ত্রিপুরার রাজস্ব আয় বাড়াতে গিয়ে রাজ্যবাসীর ঘাড়ে বোঝা চাপানো উচিৎ হবে না৷

এদিন তিনি বলেন, বিধানসভায় ওই বিলের বিরোধীতা করেছিলেন বিরোধীরা৷ ওই বিলের ভয়ঙ্কর প্রভাব সম্পর্কেও বিরোধীরা সরব হয়েছিলেন৷ কিন্তু, সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে রাজ্য সরকার বিল পাশ করে নেন৷ তাঁর কথায়, ২০০৩ সালে তদানিন্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে এনডিএ সরকার বিদ্যুৎ আই এনেছিল৷ সে-মোতাবেক ত্রিপুরাতে বিদ্যুৎ নিগম গঠন করা হয়েছিল৷ শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় আইন মেনেই বিদ্যুৎ ক্ষেত্র পরিচালনা করেছে বামফ্রন্ট সরকার৷

তাঁর দাবি, বিদ্যুৎ শুল্ক নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিবর্তন হয়৷ এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া৷ কারণ, উৎপাদন এবং পরিবহন খরচ মিলিয়ে ও আনুসঙ্গিক খরচ যুক্ত করেই নির্ধারিত হয় বিদ্যুতের শুল্ক৷ এ-ক্ষেত্রে ২০১৪ সালের পর ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধি করা হয়নি৷ তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে বিদ্যুৎ বিক্রি করে নিগমের প্রচুর লাভ হচ্ছে৷ কারণ, বহিরাজ্য থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুতের শেয়ার পুরোটা প্রয়োজন পড়ে না ত্রিপুরায়৷ তাই, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নিগম বিক্রি করে দিচ্ছে৷ তাছাড়া, বাংলাদেশ এবং নেপালে বিদ্যুৎ বিক্রি করেও নিগমের মুনাফা হচ্ছে৷

মানিক দে বলেন, নয়া ওই বিল মাশুল নির্ধারণে পুরো ক্ষমতা ত্রিপুরা সরকার নিজেদের অধীনে নিয়েছে৷ তাছাড়া, বিদ্যুৎ উৎপাদক এবং ভোক্তার কাছে বিক্রির ক্ষেত্রে রাজস্ব আদায় করবে ত্রিপুরা সরকার৷ তাঁর বক্তব্য, নয়া ওই বিল অনুসারে উৎপাদক সংস্থা যখন নিগমের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করবে তখন ডিউটি দিতে হবে৷ তেমনি নিগম যখন ভোক্তাদের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করবে তখন পুণরায় ডিউটি সংগ্রহ করবে ত্রিপুরা সরকার৷ তাছাড়া, ফিক্সড চার্জের উপর ডিউটি সংগ্রহ হবে৷ এ-ক্ষেত্রে ত্রিপুরা সরকারের রাজস্ব বাড়বে ঠিকই, কিন্তু অতিরিক্ত বোঝা সবশেষে ভোক্তার ঘাড়েই চাপবে, দাবি করেন তিনি৷

এদিন তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ নিগমের সাব-স্টেশনগুলি বেসরকারী হাতে পরিচালনার দায়ভার তুলে দিচ্ছে ত্রিপুরা সরকার৷ এই পদক্ষেপ খুবই ভয়ঙ্কর বলে দাবি করেন তিনি৷ তাঁর বক্তব্য, অতীত অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন রাজ্যের অবস্থায় প্রমাণিত, বেসরকারী সংস্থা ওই দায়িত্ব নিয়ে ল্যাজেগোবরে হয়েছে৷ মানিক দে কটাক্ষের সুরে বলেন, মুখরোচক এবং চমক সৃষ্টি না করে ত্রিপুরা সরকারের বাস্তব সম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ৷ তাই, ওই বিল প্রত্যাহার করা হোক, চাইছেন তিনি৷

Releated Posts

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রিপুরায় মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রিপুরায় শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প…

ByByTaniya Chakraborty Sep 14, 2026

সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য চা গাছ কাটার অভিযোগ, চা বাগানে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আগরতলা, ৯ সেপ্টেম্বর: সরকারি অফিস নির্মাণের জন্য জমি পরিষ্কারের নামে বোল্ডোজার দিয়ে চা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র…

ByByTaniya Chakraborty Sep 9, 2026

বিলোনিয়ায় ৬৫তম জাতীয় শিক্ষক দিবস উদযাপন, সম্মানিত ২৫ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিলোনিয়া, ৫ সেপ্টেম্বর: বিদ্যালয় শিক্ষা পরিদর্শক, বিলোনিয়া এবং শিক্ষক দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে শনিবার বিলোনিয়া কলেজ স্কয়ার সংলগ্ন…

ByByNews Desk Sep 5, 2026

অনুরাগ ধনকরের মৃত্যু নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর ‘হস্তক্ষেপের’ প্রতিবাদে কংগ্রেসের মিছিল

আগরতলা, ৩ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আগরতলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। পুলিশপ্রধান অনুরাগ ধনকরের মৃত্যুর…

ByByReshmi Debnath Sep 3, 2026
Scroll to Top