
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ সেপ্ঢেম্বর৷৷ বর্তমান সময়ে নিত্যদিনের নানা কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষদের মধ্য সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবার উদ্যোগী হল ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি-র মহিলা মোর্চা৷
এই বিষয়গুলি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবগত করার জন্য মহিলা মোর্চার নেত্রী-কার্যকর্তীরা আজ রবিবার বিকেলে আগরতলা পুর নিগমের ২১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রথম অভিযান শুরু করে৷ এদিন মহিলা মোর্চার সভানেত্রী পাপিয়া দত্তের নেতৃত্বে অন্যান্য মহিলারা প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক দিক সংবলিত প্ল্যা-কার্ড ও ব্যানার হাতে নিয়ে এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান৷ সেই সঙ্গে মশার বৃদ্ধি যাতে বন্ধ করা যায় এই বিষয়েও সচেতনতা অভিযান চালান তাঁরা৷ প্রতিটি বাড়িতে এক টুকরো করে মশারির নেট ও ফেলে দেওয়া ডাবের খোলসের মধ্যে লাগানো চারা গাছ দেন৷
এ বিষয়ে সভানেত্রী পাপিয়া দত্ত বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্লাস্টিক মুক্ত ভারতের ডাক দিয়েছেন৷ তাই তাঁরা সাধারণ মানুষকে সচেতন করছেন যাতে যত কম সংখ্যক সম্ভব প্লাস্টিক ব্যবহার করেন৷ যদি সম্ভব হয়, তবে প্লাস্টিক ব্যবহার না করলেই ভালো৷ তাছাড়া ডাবের মধ্যে চারা গাছ লাগানোর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমরা বীজ থেকে চারা গাছ তৈরির জন্য প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করি৷ কিন্তু প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে যদি আমরা ফেলে দেওয়া ডাবের খোসা ব্যবহার করি তবে যখন চারা গাছ মাটিতে লাগানো হবে তখন তা পচে মাটির সঙ্গে মিশে যাবে৷ এর ফলে ডাব পচে একদিকে যেমন জৈবসার তৈরি হবে তেমনি প্লাস্টিক ব্যবহার না করায় দূষণও কম হবে৷
মশারির নেট দেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বাড়ির শৌচালয়ের ট্যাঙ্কে মশা ডিম পাড়ে ও নতুন মশার জন্ম হয়৷ তাই শৌচালয়ের গ্যাস নির্গমনকারী পাইপের মাথায় যদি নেট বেঁধে দেওয়া হয় তবে মশার বংশ বৃদ্ধি অনেকটাই কমে যাবে৷
তাঁরা এদিন আগরতলা পুর নিগমের ২১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই কর্মসূচি সূচনা করার কারণ হিসেবে পাপিয়া দত্ত বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ওয়ার্ডকে আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চান৷ তাই তাঁরা এখান থেকে কর্মসূচির সূচনা করলেন৷ তিনি আরও জানান, মহিলা মোর্চার সদস্যরা সারা ত্রিপুরা রাজ্যব্যাপী এই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অভিযান চালাবেন৷ এদিন তাঁরা যে ব্যানারটি ব্যবহার করেছেন এটিও বায়ো-ডিগ্রেডেবল বলেও জানান৷



















