নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ সেপ্ঢেম্বর ৷৷ শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা বৃদ্ধির কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা নিয়ে ধোয়াশা কাটল৷ কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক রাজ্য সরকারের বুনিয়াদী শিক্ষা দপ্তরকে জানিয়েছে এনসিটিই নির্দেশিকা মোতাবেক ২০০১ সালের ৩ সেপ্ঢেম্বরের আগে যারা বুনিয়াদী স্তরে শিক্ষকপদে নিয়োগ হয়েছেন তাদের শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে না৷ বুনিয়াদী স্তরে কর্মরত প্রশিক্ষণহীন সরকারী, সরকার অধিনস্ত এবং বেসরকারী সুকলে কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা যারা ২০০১ সালের ৩ সেপ্ঢেম্বর কিংবা তার পর নিয়োগ হয়েছেন কেবল মাত্র তাদেরই আগামী ১৫ সেপ্ঢেম্বরের মধ্যে এনআইওএস(ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন সুকলিং) পোর্র্টলে নাম নথিভুক্ত করতে হবে৷
উল্লেখ্য, গত ১ আগস্ট শিক্ষার আইনে সংশোধনী বিল পাশ হয় রাজ্যসভায়৷ এরপরই গত ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক দেশের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলকে বুনিয়াদী স্তরে প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা বৃদ্ধির নির্দেশিকা জারি করে৷ বিষয়টি রাজ্য সরকার চেপে গেছে এই অভিযোগ তুলেছিলেন কংগ্রেস বিধায়ক রতন লাল নাথ৷ তাঁর আরো অভিযোগ ছিল বুনিয়াদী স্তরের প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক শিক্ষিকাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই রাজ্য সরকার কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা পালন করছেনা৷ নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল ১৪ আগস্টের মধ্যে সারা রাজ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা বৃদ্ধি কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা নিয়ে বুনিয়াদী স্তরের সুকল গুলিতে ব্যপক প্রচারাভিযান সম্পন্ন করতে হবে৷ ১৬ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্ঢেম্বরের মধ্যে বুনিয়াদী স্তরের প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক শিক্ষিকাদের এনআইওএস এর অধিন নাম নথিভুক্ত করতে হবে৷ শিক্ষার আইন সংশোধনী বিল মোতাবেক অষ্টম মান উত্তির্ণ শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রথমে মাধ্যমিক এবং এরপর দ্বাদশমান ন্যুনতম পঞ্চাশ শতাংশ নম্বর নিয়ে উত্তির্ণ হতে হবে৷ মাধ্যমিক উত্তির্ণ শিক্ষক শিক্ষিকাদের দ্বাদশমান ন্যুনতম পঞ্চাশ শতাংশ নম্বর উত্তির্ণ হতে হবে৷ যে শিক্ষক শিক্ষিকারা দ্বাদশমান উত্তির্ণ হয়েছেন কিন্তু ৫০ শতাংশ নম্বর নেই তাদেরকেও পরীক্ষায় বসতে হবে এবং ন্যুনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তির্ণ হতে হবে৷ এর পরই ডিএড কোর্সে ভর্ত্তি হতে পারবেন তারা৷ এই সমস্ত প্রক্রিয়া অনলাইন মাধ্যমে সম্পন্ন হবে৷ এনআইওএসএর মাধ্যমে প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক শিক্ষিকারা দ্বাদশমান উত্তির্ণ সহ ডিএড কোর্স করতে পারবেন৷ এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফি ধার্য্য করা হয়েছে৷
কিন্তু এনসিটিই গাইড লাইন মোতাবেক ২০০১ সালের ৩ সেপ্ঢেম্বরের আগে বুনিয়াদী স্তরের যারা শিক্ষকপদে নিয়োগ হয়েছিলেন তাদেরকেও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে কিনা বিষয়টি নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখাদেয়৷ কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে এ বিষয়ে স্পষ্টিকরণ চায় রাজ্য শিক্ষা দপ্তর৷ অবশেষে সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক থেকে রাজ্য সরকারের বুনিয়াদী শিক্ষা দপ্তরকে জানানো হয় শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় এনসিটিই নির্দেশিকা মোতাবেক ২০০১ সালের ৩ সেপ্ঢেম্বরের আগে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকারা এই প্রক্রিয়ায় ছাড় পাবেন৷

ধোঁয়াশা কাটল, এনসিটিই’র নির্দেশিকা মেনেই প্রশিক্ষণে ছাড় পাচ্ছেন কিছু শিক্ষক
Releated Posts
শস্য সাইলো প্রকল্পে একচেটিয়া সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ খারিজ করল এফসিআই
নয়াদিল্লি, ২ জুন (আইএএনএস): শস্য সংরক্ষণের আধুনিক সাইলো প্রকল্পের বরাত প্রদানের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব ও একচেটিয়া ব্যবসাকে উৎসাহ দেওয়ার…
অসম বিধানসভায় ইউসিসি পাস, ‘প্রত্যেক নাগরিকের জন্য অভিন্ন আইন কার্যকর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’: অমিত শাহ
নয়াদিল্লি, ২৭ মে (আইএএনএস): অসম বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিল পাস হওয়ায় রাজ্যের মানুষকে অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয়…
কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূতের
কাবুল, ২২ মে (আইএএনএস): আফগানিস্তানে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট কাবুলের ওমিদ পুনর্বাসন হাসপাতালে পাকিস্তানের…
ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’ কর্মসূচির সূচনা, ধলাই জেলার ৩৫ জনের অভিযোগ শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা, ২০ মে : রাজ্যের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’…


















