আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ করিডোর হয়ে উঠছে ত্রিপুরা সীমান্ত এলাকা

আগরতলা, ২০ মার্চ (হিঃস)৷৷  আন্তর্জাতিক মৌলবাদী সন্ত্রাসী সংঘটনগুলি ত্রিপুরাকে করিডোর হিসাবে ব্যবহার করছে৷ ইতিপূর্বেও বহুবার এজাতীয় তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ কিন্তু ব্যাঙ্গালুরু বোমা বিস্ফোডণে অভিযুক্ত হাবিব মিয়াঁকে ত্রিপুরা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি আরও প্রস্ত হয়ে উঠেছে৷ ত্রিপুরায় কর্মরত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এসআইবি এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত ত্রিপুরা থেকে যে সব সন্ত্রাসী কে পাকরাও করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশ এবং ত্রিপুরায় ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বহু বথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ এরাজ্যে মৌলবাদীদের তেমন কোন সক্রিয় কার্যকলাপ নেই৷ ফলে রাজ্যের সুরক্ষা বাহিনী গুলিও এসব বিষয়ে তেমন গুরুত্ব দেয়না৷ আর এই সুযোগের ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী বেশ কিছু এলাকাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা নিরাপদ আশ্রয়স্থল এবং ভারতীয় ভূখন্ডে যাতায়াতের নিরাপদ মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করছে৷ গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, ইতিপূর্বে বহিরাজ্যের গোয়ন্দো বাহিনীগুলির তৎপরতায় আগরতলা থেকে ধরা পরা সগম আলী কিংবা মামুন মিয়াঁ এবং সদ্য ধরা পর হাবিব মিয়াঁ প্রত্যেকেই বাংলাদেশ  ও ত্রিপুরার মধ্যে অবৈধভাবে যাতায়াত করার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ শুধু তাই নয় সীমান্তের উভয়দিকেই তাদের  যথেষ্ট প্রভাব প্রতিপত্তিও ছিল৷ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের মদত দেওয়ার জন্য এবং নানা ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য এরাজ্যের মাটিতে কিছু লোক পরোক্ষভাবে সক্রিয় রয়েছে৷ কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা৷ এমনকি এই সন্ত্রাসীরা রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হিসাবে প্রমাণ করার জন্য ভোটার কার্ড এবং নাগরিকত্বের প্রমাণ পত্রও বের করে নিচ্ছে৷ উল্লেখ করা যেতে পারে সগম আলীকে গ্রেপ্তার করে বিএসএফ এর গোয়েন্দা শাখা আর মামুন মিয়াঁকে আগরতলা থেকে তুলে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ৷ যেখানে হাবিব মিয়াঁকে এই আগরতলা থেকেই গ্রেপ্তার করেছে কর্ণাটকের এটিএস৷