আগরতলা, ৭ অক্টোবর: দীর্ঘ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছরের রাস্তার দুর্ভোগ থেকে অবশেষে মুক্তি পেলেন আমবাসা পুর পরিষদের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনের মাটির রাস্তা বেহাল হয়ে থাকায় চরম সমস্যায় পড়তে হতো স্থানীয়দের। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার বিভিন্ন অংশে জল জমে যেত। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে পড়ত যে যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে যেত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে রাস্তার সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হতো। বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যেত। দীর্ঘদিন ধরে পাকা রাস্তার দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকার বাসিন্দারা।
এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা বিবেচনা করে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উত্তম অধিকারী রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেন। কাউন্সিলর হওয়ার পরই স্থানীয়দের দাবি ও দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি রাস্তার কাজ হাতে নেন। অবশেষে দীর্ঘদিনের মাটির রাস্তা পাকা রাস্তায় রূপান্তরিত হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর ধরে রাস্তার সমস্যায় তাঁদের ভুগতে হয়েছে। বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপর জল জমে থাকত। ফলে স্কুল, বাজার, কর্মস্থল কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ত। দীর্ঘদিনের সেই সমস্যা সমাধান হওয়ায় তাঁরা খুশি।
বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, কাউন্সিলর উত্তম অধিকারীর উদ্যোগেই দীর্ঘদিনের এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে। নতুন পাকা রাস্তা নির্মাণের ফলে শুধু যাতায়াতের সুবিধাই বাড়েনি, এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হয়েছে।
যুবক থেকে বয়স্ক, এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষই রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের আশা, আগামী দিনেও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্যান্য সমস্যাগুলির সমাধানে একইভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে। দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের অপেক্ষার পর পাকা রাস্তা পেয়ে এখন স্বস্তির হাসি ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মুখে।



















