জম্পুইজলা, ২৭ সেপ্টেম্বর: স্বামীর মৃত্যুর পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি বিধবা ভাতা। বয়স ৭০ বছর, শারীরিক অসুস্থতায় জর্জরিত। সংসারে আর্থিক অনটন, তার উপর প্রতিমাসে প্রয়োজন প্রচুর ওষুধের। এই পরিস্থিতিতে অসহায় বৃদ্ধা শাশুড়ির জন্য ভাতার আবেদন জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন পুত্রবধূ নারা বেগম।
ঘটনাটি জম্পুইজলা ব্লকের অন্তর্গত চিকন ছড়া ভিলেজের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাইল্লা পাড়া এলাকার। ওই এলাকার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সি সালেমা খাতুন স্বামীহারা ও দরিদ্র। তাঁর স্বামী তারা মিয়া পাঁচ বছর আগে মারা যান। পরিবারের রেশন কার্ড রয়েছে অ্যাডহক বিপিএল শ্রেণিতে।
পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা ভাতা পাওয়ার আশায় একাধিকবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন সালেমা খাতুন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর বিধবা ভাতা চালু হয়নি। বর্তমানে তাঁর বয়স ৭০ বছর হওয়ায় তিনি বার্ধক্য ভাতারও যোগ্য বলে দাবি পরিবারের। অথচ এখনও পর্যন্ত কোনও ভাতাই পাননি তিনি।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বর্তমানে সালেমা খাতুন গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি কানে শুনতে পান না এবং তাঁর হাত-পা সব সময় কাঁপে। চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে প্রচুর টাকার ওষুধের প্রয়োজন হলেও পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় সেই খরচ জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
এই পরিস্থিতিতে বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ নারা বেগম। রবিবার সকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর শাশুড়ির জন্য উপযুক্ত ভাতা চালু করার আবেদন জানান।
অসহায় বৃদ্ধার চিকিৎসা ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের কথা বিবেচনা করে প্রশাসন যাতে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেই আশাতেই রয়েছেন সালেমা খাতুনের পরিবার।



















