News Flash

  • Home
  • বিদেশ
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খারাপ’ বাণিজ্য চুক্তি তড়িঘড়ি করায় সমালোচনার মুখে ইউনূস সরকার: রিপোর্ট
Image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খারাপ’ বাণিজ্য চুক্তি তড়িঘড়ি করায় সমালোচনার মুখে ইউনূস সরকার: রিপোর্ট

নয়াদিল্লি, ২৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ (এআরটি) নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। ঢাকাভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিনগুলিতে তড়িঘড়ি করে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয় এবং এতে বাংলাদেশকে মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নির্ধারিত শর্ত মেনে নিতে হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এআরটি স্বাক্ষর করে। এর মাত্র তিন দিন পরই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যার মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবর্তে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার কথা ছিল। চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কোনও নির্বাচিত সংসদ এর বিষয়ে আলোচনা বা অনুমোদন দেয়নি। নতুন সংসদ ক্ষমতায় আসার পরও চুক্তিটি এখনও পর্যালোচনা করেনি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম এআরটি স্বাক্ষরের জন্য তাড়াহুড়ো করে এগিয়ে যায়। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা এখনও ধীরস্থিরভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মতো শর্ত মেনে নেয়নি। অন্যদিকে, ভারত পৃথক একটি অন্তর্বর্তী কাঠামোর আওতায় রয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি ও বাণিজ্য উদ্বৃত্ত অন্যান্য বহু দেশের তুলনায় কম হওয়া সত্ত্বেও ১০টি এআরটি স্বাক্ষরকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের চুক্তিটি সবচেয়ে বিস্তৃত এবং অসম বলে মনে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তির কোনও একটি নির্দিষ্ট ধারা একেবারে নজিরবিহীন নয়। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিতে একই ধরনের ব্যবস্থা কোনও না কোনওভাবে রয়েছে। তবে বাংলাদেশের চুক্তিতে বিভিন্ন বাধ্যবাধকতা যেভাবে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং যে পরিস্থিতিতে ঢাকার অন্তর্বর্তী সরকার এটি স্বাক্ষর করেছে, সেটিই চুক্তিটিকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কেন একটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক আগে দীর্ঘমেয়াদি ও উন্মুক্ত বাণিজ্যিক সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হলো, তার অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক যুক্তি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। সমালোচকদের মতে, নির্বাচিত সরকারের ম্যান্ডেট ছাড়াই পরবর্তী সরকারগুলোর ওপর এই ধরনের প্রতিশ্রুতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আইএএনএস

Releated Posts

ভারত-আমেরিকার প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের শক্তির প্রতিফলন ‘যুদ্ধ অভ্যাস’: সার্জিও গোর

জয়পুর, ২৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের শক্তির প্রতিফলন ঘটায় দ্বিপাক্ষিক সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস’।…

ByByNews Desk Sep 24, 2026

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপাক্ষিক সংস্কারে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

নিউইয়র্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের প্রতি ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিদেশ…

ByByNews Desk Sep 24, 2026

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সাংসদ জাফর আলমকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়ে…

ByByNews Desk Sep 24, 2026

টিইপিএ-র পর ভারত-আইসল্যান্ড সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে: রাষ্ট্রদূত হস্কুল্ডসন

নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ভারত ও ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থা-র দেশগুলির মধ্যে স্বাক্ষরিত ট্রেড অ্যান্ড ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট…

ByByNews Desk Sep 23, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top