সীতাপুর, ২২ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরে ছয় বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে অবধ রাম ওরফে ভোলে শঙ্করকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, শিশুটিকে আখের ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। তাকে গ্রেফতার করতে যাওয়া পুলিশ দলের উপর সে গুলি চালায়। পাল্টা গুলিতে তার পায়ে গুলি লাগে।
শিশুটির ধর্ষণের অভিযোগ নিশ্চিত করতে তার মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। অভিযুক্তকে ধরিয়ে দেওয়ার তথ্যের জন্য সীতাপুরের পুলিশ সুপার ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন।
মহমুদাবাদ সার্কেলের সিও কপূর কুমার জানান, সীতাপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে অভিযুক্তকে ধরতে একাধিক পুলিশ দল গঠন করে লাগাতার অভিযান চালানো হচ্ছিল।
তিনি বলেন, “২২ সেপ্টেম্বর সকালে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, বেররা গ্রামের কাছে অভিযুক্তকে দেখা গিয়েছে। পুলিশ ও মিশন শক্তির দল বেররা গ্রামের কাছে সড়কে অভিযান চালাতে গেলে পুলিশকে দেখে অভিযুক্ত গুলি চালায়। আত্মরক্ষায় পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।”
পুলিশের পাল্টা গুলিতে অভিযুক্ত আহত হয়। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি রিভলভার, দুটি জীবন্ত কার্তুজ এবং ৩৫০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে, ৩১ আগস্ট উত্তরপ্রদেশেরই ১৭ বছরের এক কিশোরীকে দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে বাসে লিফট দেওয়ার পর চলন্ত স্লিপার বাসের চালক ও কন্ডাক্টরের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, ৪ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ গ্রেটার নয়ডার প্যারী চৌক থেকে নয়ডার সেক্টর ৬৩ এবং পরে আউটার রিং রোডের দিকে যাওয়ার প্রায় ৬০ কিলোমিটার যাত্রাপথে ঘটনাটি ঘটে। পরে কিশোরীকে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
অভিযুক্ত বাসচালক কুলদীপ এবং কন্ডাক্টর সন্দীপ (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাসটি বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
উত্তর দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ নিহারিকা ভাট জানান, একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী নয়ডায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকারের মধ্যে সে ভুল করে গ্রেটার নয়ডার প্যারী চৌকে পৌঁছে যায়। ওই সময় একটি খালি স্লিপার বাস সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় তার ইশারায় থামে। চালক ও কন্ডাক্টর তাকে নয়ডার সেক্টর ৬৩-তে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আইএএনএস



















