আগরতলা, ১৯ সেপ্টেম্বর: উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-এর কার্যকর বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করলেন ত্রিপুরার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ। নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলন ২০২৬-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উত্তর-পূর্বের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাবনাকে উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
“এনইপি ২০২০-এর বাস্তবায়ন: উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জন্য লক্ষ্য, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা” শীর্ষক এই শিক্ষা সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ত্রিপুরার প্রতিনিধিত্ব করেন মন্ত্রী কিশোর বর্মণ। সম্মেলনে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষা প্রশাসক, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বক্তব্যে কিশোর বর্মণ বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিজস্ব শক্তি ও সম্পদের সঙ্গে উচ্চশিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য, বাঁশ সম্পদ, কৃষি এবং পর্যটন ক্ষেত্রকে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার উপর তিনি জোর দেন।
মন্ত্রী বলেন, এনইপি ২০২০-এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির নির্দিষ্ট চাহিদা ও সম্ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করার উপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
কিশোর বর্মণের মতে, প্রাকৃতিক সম্পদ, মানবসম্পদ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে কাজে লাগাতে পারলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
তিনি উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে শিক্ষিত, দক্ষ, উদ্ভাবনী এবং উদ্যোগী করে তোলার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, এমন একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চল ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।
সম্মেলনে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যে এনইপি ২০২০ বাস্তবায়নের অগ্রগতি, অঞ্চলভিত্তিক সমস্যা এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।.



















