শান্তিরবাজার, ২৪ আগস্ট: মারণ রোগ টিউমারের সঙ্গে লড়াই করছে দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজারের মাস্টারপাড়া এলাকার ৯ বছরের শিশু আয়ুষী দাস। দিনমজুর পরিবারের এই শিশুকন্যার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন বাবা-মা। মেয়ের জীবন বাঁচাতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।
জানা গেছে, মাস্টারপাড়া এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন বিশ্বজিৎ দাস ও প্রিয়াঙ্কা দাস। তাঁদের দুই কন্যার মধ্যে বড় মেয়ে আয়ুষী শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় (বিদ্যাজ্যোতি)-এর তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। প্রায় চার বছর আগে তার পায়ে টিউমার ধরা পড়ে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাই মাসে আয়ুষীর পায়ে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই চিকিৎসায় প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ হয়। রাজমিস্ত্রির কাজ করে বাবা এবং পরিচারিকার কাজ করে মা ধার-দেনা করে মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করেন। তবে অস্ত্রোপচারের পরও বিপদ কাটেনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আয়ুষীর পায়ে বসানো প্লেট দ্রুত খুলে ফেলা প্রয়োজন। পাশাপাশি তার পায়ে আরও ১৫ থেকে ২০টি ছোট টিউমার রয়েছে বলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ফলে দ্রুত চিকিৎসা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা পরিবারের।
বর্তমানে প্লেট অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের খরচ জোগানো এই অসহায় পরিবারের পক্ষে কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের সহৃদয় ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং আর্থিকভাবে সক্ষম মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন আয়ুষীর বাবা-মা।
তাঁদের একটাই আকুতি, আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো ছোট্ট আয়ুষী আবার সুস্থ জীবনে ফিরতে পারবে।



















