News Flash

  • Home
  • দেশ
  • ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি চরম অসম্মান: কংগ্রেসকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির
Image

‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি চরম অসম্মান: কংগ্রেসকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট (আইএএনএস): ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে কংগ্রেসের সদর দফতরে জাতীয় সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের সময় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও দলের প্রবীণ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে দেখা যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপি এই ঘটনাকে ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি কংগ্রেসের ‘চরম অসম্মান’ বলে অভিযোগ তুলে দলের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।

ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে খাড়গে ও সোনিয়া গান্ধীকে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে এবং ইশারা করতে দেখা যায়। পরে তাঁরা দলের এক সদস্যকে ডেকে কিছু নির্দেশ দেন বলেও ভিডিওতে দেখা যায়।

বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী সাংবাদিকদের বলেন, এবারের স্বাধীনতা দিবসে প্রথমবারের মতো ‘বন্দে মাতরম’ সম্পূর্ণ, কোনও অংশ বাদ না দিয়ে এবং বাধাহীনভাবে পরিবেশিত হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৪-১৫ আগস্টের মধ্যরাতে স্বাধীন ভারতের প্রথম গণপরিষদের অধিবেশনও ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। সেই সময় সংবিধান জাতীয় সঙ্গীত গ্রহণ করেনি।

এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন ত্রিবেদী। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব যখন জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হচ্ছিল, তখন মনোযোগ না দিয়ে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলছিলেন এবং দলের এক সদস্যকে ডাকছিলেন।

ত্রিবেদী বলেন, এই ঘটনা ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি কংগ্রেসের চরম অসম্মান প্রকাশ করে। কংগ্রেস এখনও ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ক্ষমা ও স্পষ্টীকরণ দাবি করেন বিজেপি সাংসদ।

তিনি আরও বলেন, কংগ্রেস ক্ষমা না চাইলে তা তাদের সংবিধানের প্রতি প্রকৃত বিশ্বাস ও দেশের প্রতি আনুগত্যের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতিও কংগ্রেসের শ্রদ্ধা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারিও কংগ্রেসকে নিশানা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের সময় সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী তা থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। কংগ্রেসকে ‘ডিমাগি নকশাল কংগ্রেস’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

তবে কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ বিজেপির অভিযোগ খারিজ করে স্পষ্ট করেন, জাতীয় সঙ্গীতের পরিবেশনা থামানোর কোনও চেষ্টা হয়নি। তাঁর দাবি, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার কারণে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের জন্য চেয়ার আনার কথা বলছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, “এটি থামানোর কোনও চেষ্টা ছিল না। কংগ্রেস সভাপতি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাই সোনিয়া গান্ধী বলছিলেন, তাঁর জন্য একটি চেয়ার এনে সেখানে রাখতে।”

_______ 

Releated Posts

বিজেপির সংগঠনকে তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী করার নির্দেশ নীতিন নবীনের

নয়াদিল্লি, ২৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): বিজেপির নবনিযুক্ত রাজ্য প্রভারী ও সহ-প্রভারীদের সংগঠনকে তৃণমূল স্তরে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দিল্লিতে…

ByByNews Desk Sep 29, 2026

টিআরই-৪ ও গ্রুপ ডি নিয়োগের দাবিতে পাটনায় চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

পাটনা, ২৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (টিআরই-৪ ) এবং গ্রুপ ডি পদে চাকরিপ্রার্থীদের পৃথক বিক্ষোভে মঙ্গলবার উত্তপ্ত…

ByByNews Desk Sep 29, 2026

নেপালে ভারী বৃষ্টিতে ফের চাপের মুখে বিহারের বন্যা পরিস্থিতি, তদন্তের দাবি পাপ্পু যাদবের

পাটনা, ২৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): নেপালের গণ্ডক নদীর অববাহিকায় ভারী বৃষ্টির জেরে বিহারের বন্যা পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।…

ByByNews Desk Sep 29, 2026

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ৪ অক্টোবর মুম্বইয়ে মিছিল, যৌথভাবে ঘোষণা ঠাকরে ভাইদের

মুম্বই, ২৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে আগামী ৪ অক্টোবর মুম্বইয়ে যৌথ মিছিলের ঘোষণা করলেন মহারাষ্ট্র…

ByByNews Desk Sep 29, 2026
Scroll to Top