নয়াদিল্লি, ১১ আগস্ট (আইএএনএস): আগামী ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানে দেশবাসীকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশবাসীকে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্প নেওয়ারও আবেদন করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি রিল শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “গর্বের সঙ্গে ১৫ আগস্ট উদযাপন করুন, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধা জানান এবং বিকশিত ভারতের জন্য সংকল্প নিন। হর ঘর তিরঙ্গা, ঘর ঘর তিরঙ্গা, হর মন তিরঙ্গা।”
পোস্টের ক্যাপশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন, হর ঘর তিরঙ্গাকে প্রতিটি ঘরের উৎসবে পরিণত করি।” দেশ যখন ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনই এই আহ্বান জানালেন তিনি।
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানে দেশবাসীকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তেরঙ্গাকে দেশের ‘গর্ব’ এবং সর্বদা দেশের জন্য নিজেদের সেরাটা দেওয়ার ‘অনুপ্রেরণার উৎস’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “আমাদের তেরঙ্গা আমাদের গর্ব এবং দেশের জন্য সর্বদা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার এক অবিচ্ছিন্ন অনুপ্রেরণার উৎস।”
তিনি দেশবাসীকে উৎসাহের সঙ্গে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ আন্দোলনে অংশ নিয়ে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে সম্মিলিত সংকল্প নতুন করে গ্রহণের আহ্বান জানান। এবারের অভিযানের মূল ভাবনা ‘বন্দে মাতরম’কে কেন্দ্র করে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের উদ্যোগ ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে এবং সেই সময়েই জাতীয় গানটির ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হচ্ছে—যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অধীনে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান শুরু হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে নাগরিকদের নিজেদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা নিয়ে আসা এবং তেরঙ্গা উত্তোলনে উৎসাহিত করা।
এই উদ্যোগের মূল ভাবনা ছিল, জাতীয় পতাকার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে শুধুমাত্র সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ব্যক্তিগত দেশাত্মবোধের প্রকাশে পরিণত করা।
নাগরিকদের বাড়িতে তেরঙ্গা নিয়ে আসার মাধ্যমে জাতীয় পতাকাকে দেশের সঙ্গে ব্যক্তিগত আবেগ ও সম্পর্কের প্রতীক করে তোলার পাশাপাশি দেশ গঠন এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতি সম্মিলিত অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরাই এই অভিযানের লক্ষ্য।
এ বছর ‘হর ঘর তিরঙ্গা ২০২৬’ উৎসর্গ করা হয়েছে ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছরের ঐতিহাসিক যাত্রার চেতনায়। এর মাধ্যমে দেশাত্মবোধ, তেরঙ্গার প্রতি গর্ব এবং মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসার বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে।
— আইএএনএস



















