আগরতলা, ৪ আগস্ট: ত্রিপুরার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব কের পূজায় মঙ্গলবার অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। আগরতলার ঐতিহাসিক রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে রাজ-ঐতিহ্য মেনে পূজার সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কের পূজা মূলত বাস্তু দেবতার আরাধনা, যা ত্রিপুরার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই পূজার মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অশুভ শক্তি এবং বিভিন্ন বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি সকলের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
তিনি জানান, কের পূজার সময় নির্দিষ্ট একটি এলাকা পবিত্র সীমারেখা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। পূজা চলাকালীন ওই সীমারেখার ভেতরে প্রবেশ কিংবা বাইরে বের হওয়ার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ জারি থাকে এবং প্রাচীন রীতি-নীতি অনুসারেই এই নিয়ম পালন করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার রাজ আমল থেকে চলে আসা বিভিন্ন ঐতিহ্য, আদিবাসী উৎসব এবং সাংস্কৃতিক প্রথাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে সংরক্ষণ ও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কের পূজা উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ” নীতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি সকলকে সম্প্রীতি, ঐক্য এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিবেশ বজায় রেখে একসঙ্গে বসবাস করার আহ্বান জানান।
এদিন কের পূজায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির ত্রিপুরা প্রদেশ সভাপতি ও বিধায়ক অভিষেক দেবরায়সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
























