গুয়াহাটি, ৯ জুলাই (আইএএনএস): অসমের ছয়টি সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতি (এসটি) মর্যাদা দেওয়ার বহুদিনের দাবির বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো সম্ভব নয়। কারণ, এই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের সাংবিধানিক এখতিয়ারের আওতায় পড়ে বলে বৃহস্পতিবার অসম বিধানসভায় জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষা ও জনজাতি বিষয়ক মন্ত্রী রণোজ পেগু।
বিধানসভায় বিধায়ক চক্রধর গগৈয়ের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, কোনও সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকার সংবিধান এবং সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী গ্রহণ করে।
রণোজ পেগু জানান, এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের ওপর যে দায়িত্ব ছিল, তা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং রাজ্যের সুপারিশ কেন্দ্রের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মন্ত্রী জানান, ছয়টি সম্প্রদায়কে এসটি মর্যাদা দিলে বর্তমানে অসমের বিদ্যমান তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়গুলির সাংবিধানিক সুরক্ষা, সংরক্ষণের সুবিধা এবং অন্যান্য অধিকারের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছিল কেন্দ্র সরকার।
এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অসম সরকার একটি মন্ত্রিগোষ্ঠী (গ্রুপ অব মিনিস্টার্স বা জিওএম) গঠন করেছিল। সেই কমিটির রিপোর্ট ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে অনুমোদিত হয় বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ওই রিপোর্ট এবং রাজ্য সরকারের সুপারিশ এখন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। এরপর সংবিধান ও সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।
প্রস্তাবটি কবে চূড়ান্ত হতে পারে, সেই প্রশ্নের উত্তরে রণোজ পেগু স্পষ্ট করে বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি কেন্দ্রের অধীন হওয়ায় রাজ্য সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাতে পারে না।
তবে রাজ্য সরকার আশাবাদী যে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অসমের ওই ছয়টি সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের এসটি মর্যাদার দাবি শেষ পর্যন্ত পূরণ হবে।


















