ভিড়ার, ২৭ জুন (আইএএনএস): মহারাষ্ট্রের ভিড়ার ওয়েস্টের ডোঙ্গারপাড়া এলাকায় ৪০ বছর বয়সী এক নারীকে গণধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুই নামধারী এবং এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন রাত ২:৪৬ মিনিট থেকে ভোর ৪:৩০ মিনিটের মধ্যে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর) অনুযায়ী, তেজস, দীপক এবং তাদের এক অজ্ঞাতপরিচয় সহযোগী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওই নারীকে ডোঙ্গারপাড়ার একটি নির্জন গলিতে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে।
নির্যাতিতার বয়ানের ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিকভাবে ভিড়ার থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ৭০(১) ধারায় তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। তবে ঘটনাস্থলটি বোলিঞ্জ থানার এক্তিয়ারভুক্ত হওয়ায় মামলাটি পরবর্তী তদন্তের জন্য সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা বর্তমানে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছেন।
অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রের থানে জেলার কল্যাণ এলাকায় এক ১৭ বছর বয়সী কলেজ ছাত্রীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে গত পাঁচ মাস ধরে সাত যুবক কর্তৃক লাগাতার ধর্ষণের আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অনলাইনে ওই নাবালিকার আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে এবং ঘটনাটি জানাজানি হয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই সাত অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করে স্থানীয় আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
মহাত্মা ফুলে থানার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে মূল অভিযুক্তের সঙ্গে ওই নাবালিকার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মূল অভিযুক্ত তাদের কিছু মুহূর্তের ভিডিও গোপনে রেকর্ড করে এবং তা তার অন্য ছয় বন্ধুর সঙ্গে শেয়ার করে। এরপর ওই যুবকেরা ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নাবালিকাকে দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেইল ও যৌন নির্যাতন করতে থাকে। ধৃত যুবকেরা মুরবাড ও ভিওয়ান্ডি এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান বলে জানা গেছে।



















