আগরতলা, ৬ জুন: গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় স্তরে ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েত পুরস্কৃত হয়েছে। আজ সচিবালয়ের এক সংবাদিক সম্মেলনে জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫-এ ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েতের উল্লেখযোগ্য সাফল্য তুলে ধরেন গ্রামীণ উন্নয়ন (পঞ্চায়েত) দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মণ।
মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় স্তরে ত্রিপুরার একাধিক পঞ্চায়েত পুরস্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনসেবার মানোন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই গ্রামীণ পরিকাঠামো নির্মাণে রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
মন্ত্রী কিশোর বর্মন বলেন, “এই সাফল্য শুধুমাত্র পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের নয়, বরং সরকারি কর্মী, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সকলের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্তরে এই স্বীকৃতি রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিকে ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমূলক ও জনমুখী কাজে উৎসাহিত করবে। গ্রামীণ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দপ্তরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জানান, গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ত্রিপুরার পঞ্চায়েতগুলি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে, যার ফলস্বরূপ জাতীয় স্তরে এই স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে।
জাতীয় পঞ্চায়েত পুরস্কার–২০২৫-এ ত্রিপুরার এই সাফল্য রাজ্যের গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
























