বেঙ্গালুরু, ৪ মে: কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের গ্যারান্টি প্রকল্পগুলি ইতিবাচক ফল দিয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি.কে শিবকুমার। একই সঙ্গে কেরলে ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তামিলনাড়ুর ফলাফলকে ‘চমকপ্রদ’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যমকে শিবকুমার বলেন, “গ্যারান্টি প্রকল্পগুলি আমাদের পক্ষে কাজ করেছে। সরকার মানুষের সমস্যার প্রতি সাড়া দিয়েছে বলেই উপনির্বাচনে ভালো ফল পেয়েছি। অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে কেরলে আমরা ক্ষমতায় আসব বলে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।”
দাভানাগেরে সাউথে কম ব্যবধানের জয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক বিভ্রান্তির পর আমরা জানতাম ২৫-৩০ হাজার ভোটের ব্যবধান সম্ভব নয়। তবে জয় নিয়ে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। এসডিপিআই প্রভাব ফেলেছে।”
এসডিপিআই-এর ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে বলেছেন। আমি আর মন্তব্য করতে চাই না। তাদের আমরা হালকাভাবে নিইনি। সংখ্যালঘু ভোটে তাদের প্রভাব রয়েছে।”
রাজ্যে এই ফলাফলের প্রভাব নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কর্নাটকে কিছুই হবে না। কেউ খুশি হবে, কেউ হতাশ হবে। ডাবল ইঞ্জিন সরকার থাকলেও তারা কিছু করেনি।”
কেরলে ইউডিএফ জোটের পারফরম্যান্স নিয়ে শিবকুমার বলেন, “স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে আমরা আগেই জিতেছিলাম। এলডিএফ ১০ বছর ক্ষমতায় ছিল, মানুষ পরিবর্তন চাইছিল।”
তামিলনাড়ুর ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওখানে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। জনমত পুরোপুরি বোঝা যায়নি। স্থানীয় নেতারা কিছু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ৪০ বছরের রাজনীতিতে সম্পর্ক সহজে ভাঙা যায় না।”
প্রচারপর্বে রাহুল গান্ধী-র অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্নে তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান।
ভোটে তারকাখ্যাতির প্রভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম ৩০-৪০ শতাংশ ভোট সেই দিকে যাবে, কিন্তু তার থেকেও বেশি গেছে।”
অসমে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ৫০-৬০টি আসনের আশা করেছিলাম। স্থানীয় নেতারাও সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।”
পশ্চিমবঙ্গ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করা হয়েছে। দুই লক্ষের বেশি ভোট বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।”



















