আগরতলা, ১৩ এপ্রিল: নারীর ক্ষমতায়ন ও গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রণীত ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে আগরতলায় শক্তিশালী নারী, শক্তিশালী ভারত শীর্ষক একটি কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।
সোমবার আগরতলার মুক্তধারা অডিটোরিয়ামে বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৩ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ পাশ হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ আইনের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসমাগমকে উদ্দেশ্য করে তিনি দেশের উন্নয়নে নারী শক্তির অমূল্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর আলোকপাত করেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই আইন শুধুমাত্র নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রেই নয়, বরং নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের পথকে সুগম করবে এবং দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে বিজেপির বিভিন্ন নেতা-নেত্রী ও কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, “নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম”-এর মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসে এক স্বর্ণিম অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। এই আইন দেশের নারীদের অধিকারকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং তাঁদের স্বপ্নের ভারত গঠনে সক্রিয় অংশগ্রহণের পথ প্রশস্ত করবে, যা এক নতুন যুগের সূচনা।
এদিনের শক্তিশালী নারী শক্তিশালী ভারত শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, ছাড়াও বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায়, মহিলা মোর্চার প্রদেশ সভানেত্রী মিমি মজুমদার প্রমুখ।



















