আগরতলা, ২৩ অক্টোবর : অরাজনৈতিক মঞ্চের ডাকা ২৪ ঘন্টার বনধকে ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বড়মুড়ায়। আজ সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে সর্মথনকারীরা পিকেটিং শুরু করেছেন। সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বনধকে সফল করতে উপস্হিত ছিলেন ধর্মঘটকারীরা। তাদের হুঁশিয়ারী, বিজেপি সরকার জনজাতিদের কোন প্রতিশ্রুতি পালন করছে না। সরকার আবারো তাদের বাধ্য করছে পুনরায় ১৯৮০ সালের মতো হাতে বন্দুক তুলে নিতে।
এদিকে, বনধের প্রভাবে বড়মুড়া পাহাড়ে আটকে দেওয়া হলো তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স। ফলে পুনরায় জিবিতে ফিরে যেতে বাধ্য হয় অ্যাম্বুলেন্স। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করাতে রাষ্ট্রপতি কালার্স প্রাপ্ত ত্রিপুরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন ধর্মঘটকারীরা। সম্পূর্ণ ঘটনা পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে।
এদিকে সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন বৈরী নেতা চিত্ত দেববর্মা বলেন, একসময় রাজ্যের ভূমিপুত্ররা নিজেদের অধিকারের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। একবার ত্রিপুরা সরকার জানতে চায় না তারা কেন অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্র সরকার এনএলএফটি ও এটিটিএফ-এর জঙ্গি গোষ্ঠীকে আত্মসর্মপণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আাসার আবেদন জানিয়েছে। তারা কেন্দ্র সরকারের কথায় অস্ত্র ত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। কিন্তু ২ বছর অতিক্রম করলেও ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়ন করছে না বিজেপি সরকার।
তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সরকার কোন প্রতিশ্রুতিই পালন করছে না। বিজেপি সরকার আবার আমাদের বাধ্য করছে পুনরায় ১৯৮০ সালের মতো হাতে বন্দুক তুলে নিতে৷

