নয়াদিল্লি, ২৯ আগস্ট : মুজাফফরপুর একে-৪৭ রাইফেল ও গুলি উদ্ধার কাণ্ডে জাতীয় তদন্ত সংস্থাএক বড় সাফল্য অর্জন করেছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মনজুর খান ওরফে বাবু ভাই-কে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ, যা অস্ত্র পাচার চক্রের তদন্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করা হচ্ছে।
এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মনজুর খান ছিলেন এই চক্রের প্রধান অভিযুক্ত বিকাশ কুমার-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। বিকাশ কুমার একটি সুসংগঠিত অবৈধ অস্ত্র পাচার চক্রের নেতৃত্ব দিত বলে সন্দেহ।
তদন্তে উঠে এসেছে, মনজুর খান ও তাঁর সহযোগীরা নাগাল্যান্ড থেকে বিহারে অত্যাধুনিক নিষিদ্ধ বোরের অস্ত্র, বিশেষ করে একে-৪৭ রাইফেল, চোরাচালানের ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল। এই অস্ত্রগুলি ব্যবহার করে জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার এবং দেশের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
এনআইএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “তদন্তে দেখা গেছে মনজুর তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে অস্ত্র পাচারের ষড়যন্ত্র করেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করা ও জাতীয় নিরাপত্তায় আঘাত হানা।”
এই মামলা শুরু হয় জুলাই ২০২৪-এ, যখন বিহারের মুজাফফরপুর জেলার মুরঘাটিয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে ফকুলি থানার পুলিশ একটি লেন্স-লাগানো একে-৪৭ রাইফেল ও গুলি উদ্ধার করে। সেই সময় চারজন — বিকাশ কুমার, সত্যম কুমার, দেবমণি রায় ও আহমদ আনসারি —-কে গ্রেপ্তার করা হয় ও অস্ত্র ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়।
এবার মনজুর খানের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এনআইএ মনে করছে যে অস্ত্র পাচার চক্রকে ধ্বংস করার পথে তারা অনেকটা এগিয়ে গেছে। তবে সংস্থা জানিয়েছে, তদন্ত এখনো চলছে— বাকি ষড়যন্ত্রকারীদের খোঁজ, অর্থ জোগানদাতাদের চিহ্নিতকরণ এবং বাজেয়াপ্ত অস্ত্রগুলির চূড়ান্ত গন্তব্য জানার চেষ্টা জারি রয়েছে।

