News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্য করে বাংলার পরিচয় বিপন্ন করেছে তৃণমূল, দুর্গাপুরে সভা থেকে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর
Image

অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্য করে বাংলার পরিচয় বিপন্ন করেছে তৃণমূল, দুর্গাপুরে সভা থেকে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

দুর্গাপুর, ১৮ জুলাই : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার দুর্গাপুরের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে অভিযোগ করেন, বাংলার স্বার্থে নয়, নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দার জন্য তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে। এর ফলে বাংলার আসল পরিচয় আজ সংকটের মুখে।

মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে, বিজেপির কাছে বাঙালির গর্ব এবং পরিচয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে কি হচ্ছে? অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়ে তাদের ভুয়ো নথিপত্র পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। একটা গোটা ‘ইকোসিস্টেম’ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে তাদের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এই অনুপ্রবেশ শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তিনি বলেন, বাংলায় অনুপ্রবেশ আজ ভয়ঙ্কর সমস্যা। এই প্রবণতা রোধ না করলে বাংলার সংস্কৃতি, পরিচয় ও ভবিষ্যৎ, সব কিছু বিপন্ন হয়ে পড়বে।

দুর্গাপুরের সভা থেকে মোদী আরও বলেন, যে দল বাংলার উন্নয়নের কথা বলে, তারাই বাংলার মাটিকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্বের মতো সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তৃণমূলের এই রাজনীতি বাংলার ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক।

অনুপ্রবেশ নিয়ে সরাসরি বার্তা দিয়ে মোদী বলেন, যাঁরা ভারতের নাগরিক নন, অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দেশের আইন সংবিধান মেনে পদক্ষেপ নেবে। তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছে।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য, বিজেপির কাছে বাংলার গর্ব সর্বোচ্চ। যেখানে যেখানে বিজেপি সরকার আছে, সেখানে বাঙালিদের সম্মান দেওয়া হয়। তিনি বলেন, তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে বাঙালি ভাষাভাষীদের টার্গেট করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।

তিনি স্মরণ করান, বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদি ভাষার স্বীকৃতি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারই দিয়েছে। কংগ্রেস, বাম এবং তৃণমূল দিল্লিতে একাধিকবার সরকার চালালেও, কেউ তা করেনি। আমরা বাঙালির সংস্কৃতি ও ভাষার মর্যাদা দিচ্ছি।

বাংলার সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে মোদী বলেন, বিজেপি সর্বভারতীয় দল হলেও এর বীজ রোপিত হয়েছিল বাংলাতেই। কিন্তু এখন বাংলার সেই গর্ব ধূসর হয়ে যাচ্ছে। বাংলার যুবসমাজকে কাজের জন্য আজ অন্য রাজ্যে ছুটতে হচ্ছে। রাজ্যে বিনিয়োগ ও চাকরির পরিবেশ অনুকূল নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির কৌশলগত আক্রমণ জোরদার হচ্ছে এবং মোদীর দুর্গাপুর ভাষণ তারই ইঙ্গিত।

Releated Posts

বাম আমলে শুরু স্মার্ট মিটার প্রকল্প আর্থিক অনিয়ম, ঠিকাদারকে ‘অযৌক্তিক সুবিধা’; অডিটে প্রশ্ন ৪২.৭৬ কোটি টাকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আগরতলা, ১১ আগস্ট:  বামফ্রন্ট সরকারের আমলেই ত্রিপুরায় স্মার্ট মিটার প্রকল্পের সূচনা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন…

ByByReshmi Debnath Aug 11, 2026

আগরতলায় চালু হবে ১০টি ইলেকট্রিক বাস, পুজোর আগেই পরিষেবা শুরুর লক্ষ্য

আগরতলা, ১১ আগস্ট: আগরতলায় পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবার ১০টি ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া…

ByByReshmi Debnath Aug 11, 2026

জলবদ্ধতা মোকাবিলায় আগরতলায় ১৩০ কোটি টাকার প্রকল্প, ১৫–৩০ মিনিটে জল নিষ্কাশনের লক্ষ্য

আগরতলা, ১১ আগস্ট: বর্ষার সময় জলবদ্ধতার সমস্যা মোকাবিলায় আগরতলা শহরের নিকাশি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বড়সড় পরিকল্পনা নিয়েছে…

ByByReshmi Debnath Aug 11, 2026

২০২৮-এ ত্রিপুরায় ফের বিজেপি সরকার, ২০২৯-এ কেন্দ্রে মোদির নেতৃত্বে প্রত্যাবর্তনের দাবি সুশান্তের

আগরতলা, ১১ আগস্ট: ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় বিজেপি ফের সরকার গঠন করবে। তেমনি, ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…

ByByTaniya Chakraborty Aug 11, 2026
Scroll to Top