News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • সকল অংশের মানুষের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, পরম্পরা, ঐতিহ্য রক্ষায় আন্তরিক সরকার: মুখ্যমন্ত্রী
Image

সকল অংশের মানুষের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, পরম্পরা, ঐতিহ্য রক্ষায় আন্তরিক সরকার: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২০ এপ্রিল: সুস্থ সংস্কৃতির প্রসারে বিভিন্ন প্রয়াস নিয়েছে রাজ্যের বর্তমান সরকার। রাজ্যের সকল অংশের মানুষের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, পরম্পরা ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এই সরকার আন্তরিক। এর পাশাপাশি হারিয়ে যেতে চলা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির প্রসারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের সাপ্তাহিক সংস্কৃতি হাটের বার্ষিক কর্মসূচি উপলক্ষে আজ আগরতলা সংলগ্ন সেন পাড়ায় আয়োজিত নববর্ষ উৎসবের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আজকে এখানে অনুষ্ঠিত ঝুমুর নৃত্য পরিবেশনা খুবই মনোমুগ্ধকর হয়েছে। ২০২৩ সালের ১০ ডিসেম্বর এই হাটের উদ্বোধনে এসেছিলাম। দেখতে দেখতে ৭২টি রবিবার পার হয়ে গেলো। এধরণের বিরতিহীন কার্যক্রম করা এতটা সহজ নয়। এজন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই। আমরা চাই এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তুলতে। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য সেটা এখানে প্রমাণিত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা সরকার সংস্কৃতিকে ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন প্রয়াস নিয়েছে। সংস্কৃতির মধ্যে নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়। সৃষ্টির মধ্যেই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। টিভি, মোবাইলের দৌলতে আমরা অনেক কিছু ভুলতে চলেছি। আমরা সবাই এক, ঐক্যবদ্ধ। পয়লা বৈশাখের পর প্রথম রবিবার এখানে এই কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। আগে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও শিল্পীরা এখানে এসেছেন বলে শুনেছি। এখন প্রত্যেক রবিবারে সংস্কৃতি প্রেমী মানুষ এখানে সমবেত হন। তাই আমরা এই কার্যক্রম জাতীয় স্তরে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। ডাঃ সাহা বলেন, আমি এই কার্যক্রম সম্বলিত ভিডিও ফুটেজ পাঠাবো। হতে পারে ‘মন কি বাত’ কার্যক্রমে যশস্বী প্রধানমন্ত্রী এই সম্পর্কেও বলতেও পারেন।

আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এধরণের কার্যক্রম সারা দেশে অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। আয়োজকরা বলেছেন তারা এধরনের কার্যক্রম রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু করার চেষ্টা করছেন। আমি উদ্যোক্তাদের গ্রামীণ ক্রীড়ার উপর নজর দিতে বলেছিলাম। আর তারা সেই কথা রেখেছেন। আমাদের রাজ্যের ১৯টি জনজাতি গোষ্ঠীর নিজ নিজ কৃষ্টি সংস্কৃতি রয়েছে। আমরা চাই সব ধরণের সংস্কৃতি চর্চার মধ্যে একটা সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা। এজন্য তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর কাজ করছে। আমাদের রাজ্য সরকার বিলুপ্ত প্রায় যাত্রাপালা, পুতুল নাচ, নাটক, কীর্তন ইত্যাদি সংস্কৃতির আরো প্রসারে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। রাজ্যে বর্তমানে ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট হয়েছে। যেখানে জাতি জনজাতি অংশের ছেলেমেয়েরা সুযোগ পাচ্ছে।

Releated Posts

আগরতলা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে সাফাই কর্মীদের সহযোগিতার আহ্বান মেয়রের

আগরতলা, ১ অক্টোবর: আগরতলা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাফাই কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে তাঁদের সহযোগিতা…

ByByReshmi Debnath Oct 1, 2026

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ বাম শিক্ষক সংগঠন

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত ২০২৪ সালের টেট উত্তীর্ণ বেকারদের উপর পুলিশি হস্তক্ষেপ ও বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে ত্রিপুরা…

ByByReshmi Debnath Sep 30, 2026

উদ্ভাবন, ডিজিটাল সংযোগ ও স্টার্টআপ বিকাশে নতুন কর্মসূচি ত্রিপুরায়

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: উদ্ভাবন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ত্রিপুরা সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের…

ByByReshmi Debnath Sep 30, 2026

বাড়ি থেকে প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, উদ্ধার করল পুলিশ

সোনামুড়া, ৩০ সেপ্টেম্বর: বাড়ি থেকে প্রলোভন দেখিয়ে এক নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের তদন্তে সাফল্য পেল সোনামুড়া থানার পুলিশ।…

ByByReshmi Debnath Sep 30, 2026
Scroll to Top